হৃদরোগে মারা গেলেন ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনু
ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা, নগর উন্নয়ন এবং পর্যটনমন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, জেএমএমের প্রবীণ এই…
মেলবোর্ন,১৬ জুলাই-
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের ‘হঠাৎ’ ফোন করা প্রায় অভ্যাসে পরিণত করেছেন। গত সোমবার রাতে সেই তালিকায় যুক্ত হলেন বিবিসির সাংবাদিক গ্যারি ও’ডোনোহু। এক বছরের বেশি সময় আগে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে তার ওপর হামলার বর্ষপূর্তিতে সম্ভাব্য সাক্ষাৎকারের জন্য অপেক্ষা করছিলেন গ্যারি। তবে সাক্ষাৎকার যে হবে, সেটি ভাবেননি; তিনি তখন ঘুমাচ্ছিলেন।
হঠাৎ হোয়াইট হাউস থেকে ফোন এলে ঘুম ভেঙে যায় গ্যারির। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ফোনের অপর প্রান্তে বলেন, “হ্যালো গ্যারি, আমি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আছি, আপনার জন্য।” এর পর প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেন ট্রাম্পের সঙ্গে—বাটলারের সেই রাত, পুতিনকে নিয়ে হতাশা, ন্যাটোতে নতুন মনোভাব আর যুক্তরাজ্য সম্পর্কে তার ধারণা—সবই উঠে আসে।
বাটলারের হামলা নিয়ে অন্য রকম এক ট্রাম্প
ট্রাম্প বরাবরই স্পষ্টভাষী নেতা হিসেবে পরিচিত হলেও বাটলারের হামলার প্রসঙ্গে তিনি কিছুটা ভিন্ন মেজাজে ছিলেন। তার কণ্ঠে শোনা যায় হতাশা আর স্বীকারোক্তি—তিনি চেষ্টা করেন এ ঘটনা যতটা সম্ভব ভুলে থাকতে।
তিনি বলেন, “আমি এ নিয়ে বেশি ভাবতে চাই না। কারণ বেশি ভাবলে তা জীবন বদলে দিতে পারে, আর আমি চাই না সেটা হোক।”
এছাড়া পুতিনকে নিয়ে বিশ্বাসের প্রসঙ্গে দীর্ঘ সময় চুপ থেকে ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে, আমি প্রায় কাউকেই বিশ্বাস করি না।”
অভিবাসী বিতাড়ন নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বলেননি
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের ব্যাপক বিতাড়ন পরিকল্পনা কতদূর সফল হচ্ছে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তবে বলেন, “আমি সংখ্যা বলি না, তবে আমি চাই অপরাধীদের দ্রুত বের করে দিতে, আর সেটাই আমরা করছি।”
পুতিন নিয়ে হতাশা, তবে সম্পর্কের দরজা পুরোপুরি বন্ধ নয়
ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি কয়েকবার ভেবেছিলেন পুতিনের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে, কিন্তু পরে দেখেছেন কিয়েভে কোনো নার্সিং হোমে হামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম, ব্যাপারটা কী? চার বার মনে হয়েছিল চুক্তি হয়ে গেছে, কিন্তু ফের গিয়ে দেখি নতুন হামলা।”
তবুও ট্রাম্প বলেন, “আমি এখনও পুতিনকে পুরোপুরি ছেঁটে ফেলিনি, তবে আমি হতাশ।”
ন্যাটো নিয়ে আগের অবস্থান থেকে সরে আসা
আগে ন্যাটোকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বললেও এখন ট্রাম্পের ভাষায়, “এখন সেটি উল্টো হয়ে গেছে।”
তিনি জানান, এখন অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্ররাও নিজেদের খরচ দিচ্ছে, যা তিনি ভালো মনে করছেন। এছাড়া ন্যাটো প্রধান মার্ক রুটের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের কথাও বলেন, যেখানে ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের প্রতি সম্মান
ট্রাম্প জানান, তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমারকে পছন্দ করেন, যদিও তিনি ‘লিবারেল’।
যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ককে তিনি ‘বিশেষ’ আখ্যা দেন এবং বলেন, যুদ্ধে ব্রিটেন পাশে থাকবে বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।
রাষ্ট্রীয় সফরে পার্লামেন্টে বক্তৃতা করতে না পারা নিয়েও তার তেমন আপত্তি নেই। “তাদের ছুটি কাটাতে দিন,” বলে হেসে উড়িয়ে দেন।
ব্রিটেনের নামের বৈচিত্র্য নিয়েও মজা করে বলেন, “তোমাদের এত নাম—ইংল্যান্ড, ব্রিটেন, গ্রেট ব্রিটেন, ইউকে—ইতিহাসে আর কোনো দেশের এত নাম নেই!”
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au