কুমিল্লায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরী, গ্রেপ্তার ২
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী। ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে অভিযানে নেমেছে। বুধবার…
মেলবোর্ন,২৮ জুলাই- যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে নতুন একটি বাণিজ্যিক কাঠামোগত চুক্তি হয়েছে, যাতে অধিকাংশ ইউরোপীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে। তবে এই চুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যযুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনবে। এর বিনিময়ে ১৫ শতাংশের একটি সমন্বিত শুল্ক হার আরোপ করা হয়েছে, যা ইউরোপের দৃষ্টিতে পুরোপুরি ‘শূন্য-শূন্য’ ভিত্তিক চুক্তির চেয়ে দুর্বল হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩০ শতাংশের ভয়াবহ শুল্ক হারের চেয়ে ভালো ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশের উচ্চ শুল্কই বহাল থাকবে। এই শুল্ক ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে সম্প্রতি করা মার্কিন চুক্তির অনুরূপ কাঠামোতে হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “এটাই সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য চুক্তি।” তিনি দাবি করেন, “এটি স্থিতিশীলতা ও পূর্বাভাসযোগ্যতা আনবে।” তবে ইউরোপীয় পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতি অনেকাংশেই একতরফা এবং ন্যায্য বাণিজ্যের পরিপন্থি।
এই চুক্তি না হলে ইইউ ৯৩ বিলিয়ন ইউরোর সমপরিমাণ মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করেছিল এবং কিছু সদস্যরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের পরিষেবা খাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষেও ছিল।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়ায় ২৩৫ বিলিয়ন ডলার। এই ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্প প্রশাসনের অসন্তোষ ছিল। তবে ইউরোপীয় পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের সেবাখাতে উদ্বৃত্তের বিষয়টি তুলে ধরে ভারসাম্যের যুক্তি দেয়।
এই চুক্তির মাধ্যমে দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তির মধ্যে একটি বড় ধাক্কা সাময়িকভাবে এড়ানো গেলেও অনেক বিশ্লেষকের মতে, উচ্চ শুল্ক ও একতরফা বাণিজ্য নীতির কারণে ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও চাপের মুখে পড়তে পারে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au