পূজা চেরীর বিয়ের গুঞ্জন, ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠান!
ঢালিউড অভিনেত্রী পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে নানা আলোচনা। এবার সেই গুঞ্জনে যুক্ত হয়েছে নির্দিষ্ট একটি তারিখ। একাধিক সূত্রের দাবি, আগামী ১৬…
মেলবোর্ন, ১৭ আগষ্ট- দ্রুত সময়ের মধ্যে ভয়াবহ শক্তি সঞ্চয় করে মহাশক্তিশালী ক্যাটাগরি-৫ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে হ্যারিকেন অ্যারিন। বর্তমানে এর স্থায়ী বাতাসের গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ মাইল বা প্রায় ২৬০ কিলোমিটার। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলজুড়ে প্রাণঘাতী ঢেউ ও রিপ কারেন্ট সৃষ্টি করবে এই ঝড়।
শনিবার (১৬ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার পর্যন্ত অ্যারিন কেবল একটি ট্রপিক্যাল স্টর্ম ছিল। কিন্তু মাত্র ২৪ ঘণ্টায় এর বাতাসের গতি বেড়ে যায় ৩৪ মাইল। শনিবার ভোরে ঘণ্টায় ১০০ মাইল থেকে তা হঠাৎ বেড়ে দাঁড়ায় ১৬০ মাইল বা ২৬০ কিলোমিটার। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টারের পরিচালক মাইক ব্রেনান এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, ঝড়টি রাতারাতি “অত্যন্ত শক্তিশালী” হয়ে উঠেছে এবং “বিস্ফোরকভাবে গভীর ও তীব্র” আকার নিয়েছে।
কোথায় আঘাত হানতে পারে
বর্তমানে অ্যারিন ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থান করছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী এই সপ্তাহান্তে এটি লিওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জ, ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ও পুয়ের্তো রিকোর উত্তর দিক ঘেঁষে অতিক্রম করবে। এসব এলাকায় সর্বোচ্চ ৬ ইঞ্চি বা ১৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়াবে। এরপর ঝড়টি ধীরে ধীরে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বাহামার পূর্ব উপকূল ঘেঁষে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনার আউটার ব্যাংকসের দিকে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি আঘাত হানার সম্ভাবনা আপাতত নেই। তবে শক্তিশালী ঢেউ ও রিপ কারেন্ট পুরো পূর্ব উপকূলে প্রভাব ফেলবে। ফ্লোরিডা ও মিড-অ্যাটলান্টিক অঙ্গরাজ্যগুলোতে ঢেউ সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। বারমুডাতেও প্রাণঘাতী ঢেউ ও ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।
ঝড়ের প্রভাব ও সতর্কতা
মার্কিন কোস্টগার্ড ইতোমধ্যেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জের সেন্ট থমাস ও সেন্ট জন দ্বীপের বন্দরগুলোতে এবং পুয়ের্তো রিকোর রাজধানী সান হুয়ানসহ ছয়টি পৌরসভায় জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।
ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টার সতর্ক করেছে, উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় রিপ কারেন্ট বা সংকীর্ণ শক্তিশালী স্রোতের কারণে সমুদ্র সৈকত থেকে মানুষ ভেসে যেতে পারে। এগুলো প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি করবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) জানিয়েছে, এ বছর আটলান্টিক মহাসাগরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সংখ্যক হ্যারিকেন দেখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ায় ক্যাটাগরি-৪ ও ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার শক্তিশালী ঝড়ের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
অ্যারিন হলো ২০২৫ সালের আটলান্টিক মৌসুমের প্রথম হ্যারিকেন, যা ইতিমধ্যেই ভয়াবহ শক্তি অর্জন করে অস্বাভাবিক গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au