ডেঙ্গুতে ৪২ হাজারের বেশি আক্রান্ত, মৃত্যু ১১৭
বাংলাদেশে চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪২ হাজার ৫৯০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে…
মেলবোর্ন, ১ সেপ্টেম্বর- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদ ও ছয় দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছেন। এর ফলে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটে সব ধরনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় সংলগ্ন রেললাইনে বসে স্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে সকাল ৯টার দিকে কে আর মার্কেট থেকে মিছিল বের করে তাঁরা দাবি উত্থাপন করেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বহিরাগতদের হামলার বিচার না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উল্টো ক্যাম্পাস ও হল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। তাঁরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী শিবলী সাদী জানান, “বহিরাগতরা ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে, কিন্তু প্রশাসন দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে আমাদের হল ছাড়তে বলছে। ছয় দফা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”
ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণার পর একাংশ শিক্ষার্থী হল ছাড়তে শুরু করেছেন। সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দেখা যায়, নারী শিক্ষার্থীরা ব্যাগ–বই নিয়ে বেগম রোকেয়া ও জুলাই ৩৬ হল থেকে বের হচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, হামলার পর পরিবার থেকেও চাপ এসেছে। তবে অনেকে জানিয়েছেন, এবার সবাই হল ছাড়বেন না।
শিক্ষার্থীরা এর আগে রোববার রাতে চার দফা দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে ছিল সমন্বিত ডিগ্রি চালু রাখা, প্রক্টোরিয়াল বডির পদত্যাগ, উপাচার্যের প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা ও ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকানোর নিশ্চয়তা। দাবির সমর্থনে তাঁরা ক্লাস–পরীক্ষা বর্জন ও ব্ল্যাকআউট কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সকাল থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা হাতে মিছিল করে কে আর মার্কেটে সমবেত হন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ টহল দেয়। বিজিবি জানিয়েছে, জেলা প্রশাসকের অনুরোধে রোববার রাতেই তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মোতায়েন হন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সমন্বিত ডিগ্রির দাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর রোববার সন্ধ্যায় বহিরাগতরা হামলা চালায়। তখন তাঁরা উপাচার্যসহ দুই শতাধিক শিক্ষককে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে অবরুদ্ধ করে রাখেন। প্রক্টর অধ্যাপক আবদুল আলীম বলেন, তিনি বের হওয়ার সময় লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকজনকে দেখেছেন, তবে তাঁরা বহিরাগত নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au