ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগ
ইতালির মেস্ট্রেতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তা ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায়…
মেলবোর্ন, ২১ সেপ্টেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সম্প্রতি প্রকাশিত ফিসক্যাল ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট–২০২৫-এ মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ সরকারি ক্রয় ও বাজেট সংক্রান্ত তথ্য সর্বজনীনভাবে প্রকাশে সীমাবদ্ধতা রাখে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার আগের সরকারের সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি স্থগিত করেছে এবং কেনাকাটা-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগের সরকার বাজেট প্রস্তাব ও প্রণীত বাজেট অনলাইনে প্রকাশ করলেও বছরের শেষ হিসাব প্রতিবেদন যথাসময়ে প্রকাশ হয়নি। বাজেটের তথ্য নির্ভরযোগ্য হলেও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ছিল না। সরকারের ঋণ, ব্যয়, রাজস্ব আয় ও প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে অর্জিত আয়ের তথ্য প্রকাশ করা হলেও তা অসম্পূর্ণ ছিল। বিশেষ করে নির্বাহী বিভাগের ব্যয় আলাদাভাবে দেখানো হয়নি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাজেট নথি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রস্তুত করার চেষ্টা করা হয়। বাজেট ঘোষণার সময় নির্বাহী কার্যালয়ের ব্যয় এবং সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয় আলাদাভাবে দেখানো হয়। তবে সব দপ্তর অটোমেশনের আওতায় না আসায় বছরের শেষে হিসাব প্রতিবেদন প্রকাশে দেরি হয়। ধাপে ধাপে সব প্রতিষ্ঠান অটোমেশনের আওতায় আসার পর দ্রুত প্রতিবেদন প্রকাশ সম্ভব হবে।
নিরীক্ষা প্রসঙ্গে কর্মকর্তার মতে, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয় একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তবে জনবল সংকটসহ নানা কারণে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশে কিছুটা দেরি হয়।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আর্থিক স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য উল্লেখযোগ্য আটটি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- বছরের হিসাব প্রতিবেদন যৌক্তিক সময়ে প্রকাশ করা, বাজেট নথি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী তৈরি করা, নির্বাহী কার্যালয়ের ব্যয় আলাদাভাবে দেখানো, বাজেটে সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রকাশ করা, সর্বোচ্চ নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, বাজেটের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা, নিরীক্ষা প্রতিবেদন সময়মতো প্রকাশ করা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ সংক্রান্ত চুক্তির মূল তথ্য প্রকাশ করা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au