লোডশেডিং মোকাবেলায় বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ, জনদুর্ভোগে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ
মেলবোর্ন, ২৯ জুন- তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় লোডশেডিং পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা…
মেলবোর্ন,৮ অক্টোবর- চীনীয় সামরিক আধুনিকায়নের দ্রুততার মধ্যে পরাশক্তি প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন নৌবাহিনীর পরবর্তি প্রজন্মের স্টিলথ কেরিয়ার-ভিত্তিক ফাইটার জরুরি ভিত্তিতে এগিয়ে আনছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের অনুমোদনের পথে ফাইটারের জন্য প্রধান নির্মাতাদের মধ্যে বোয়িং ও নর্থ্রপ গ্রুম্যানকে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রাখা হয়েছে — এই প্রকল্পকে F/A-XX নামে উল্লেখ করা হচ্ছে।
নতুন বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী F/A-XX হবে ব্যাপক মাত্রায় স্টিলথ, বেশি পরিসীমা ও দীর্ঘস্থায়ীতার ক্ষমতা সম্পন্ন। এটি নিকট ভবিষ্যতে বিমান বহরে F/A-18E/F সুপার হর্ণেটদের স্থলাভিষিক্ত করবে এবং মানবসৃষ্ট ড্রোন ও নেটওয়ার্কেড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে ঘনভাবে সমন্বিতভাবে কাজ করবে — ফলে চীনা উপকূলীয় ও সমুদ্রসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা বাড়বে।
ব্রিফিং থেকে জানা গেছে, এই সিদ্ধান্তটি সরাসরি চীনের সাম্প্রতিক সামরিক অগ্রযাত্রা ও বিমান বাহিনীর দ্রুত সম্প্রসারণের উত্তরে নেওয়া হচ্ছে। বস্তুত, গত কয়েক মাসে কংগ্রেস ও পেন্টাগনের মধ্যে অর্থায়ন নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন পেছনে ছিল; তবে কংগ্রেস গত বাজেট আইনেই এই প্রোগ্রামের জন্য বড় অঙ্কের তহবিল নিশ্চিত করেছে, ফলে প্রকল্পটি আবার গতি পেতে যাচ্ছে। এ কারণে নির্মাতা নির্বাচনের ঘোষণা এ সপ্তাহেই আসতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন স্টিলথ বিমান সম্পর্কে সিদ্ধান্ত কেবল প্রযুক্তির নয় — এটি কৌশলগত সংকেতও, যা শি জিনপিং সরকারের কাছে সেন্টার বিকাশপ্রসূত ক্ষমতা দেখাতে চায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য প্যাসিফিক মিত্রদের সঙ্গে যৌথ পারফর্ম্যান্স ও বিমানবাদ কৌশলও এই নকশাকে প্রভাবিত করবে; সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তিড়িং ফ্লিট ও F-35 প্রশিক্ষণ-ব্যায়ামগুলোও বাড়িয়েছে।
F/A-XX-এর লক্ষ্য হবে রাডার ও সাইবার-নিরীক্ষা এড়ানো, নজরদারি জোনে দীর্ঘ সময় কার্যকর থাকা এবং স্বয়ংক্রিয় (uncrewed) প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে দলবদ্ধভাবে কাজ করা। বিমানের ডিজাইন ও কার্যকারিতা তৈরির প্রতিযোগিতায় বোয়িং ও নর্থ্রপকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে; উভয়ই তাদের নিজস্ব পেছনের উদ্ভাবনী কনসেপ্ট নিয়ে আসছে — একটি দ্রুততর সিদ্ধান্ত নিলে নৌবাহিনী ২০৩০-এর দশকের শুরুতে বিমানের প্রথম ইউনিট গ্রহণ করতে চাইছে।
বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, হ্যাঁ—আংশিকভাবে। চীনও সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত-গতিতে স্টিলথ ও কেরিয়ারের জন্য উপযোগী নতুন বিমান তৈরি করছে এবং এশিয়ার প্রতিসামরিক ভারসাম্য বদলাচ্ছে। পেন্টাগনের সিদ্ধান্ত একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে প্রদর্শনযোগ্য ডিটেরেন্ট শক্তি গঠনেরও অংশ। তবে কারিগরি ও বাজেটগত চ্যালেঞ্জ এখনও বড়—অর্থবছর ও সফল পরীক্ষানির্ভুলতা ছাড়া ফাইটারটি সময়মতো operational হওয়ার নিশ্চয়তা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনের এই পদক্ষেপ কেবল নতুন একটি যুদ্ধবিমান আনার ঘোষণা নয়; এটি ২০৩০-এর দশকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বিমানশক্তির নিয়ন্ত্রণ কে কার হাতে হবে—এই প্রতিযোগিতার প্রথমে-পদক্ষেপ। কংগ্রেসের অর্থায়ন, নির্মাতাদের মধ্যে তীব্র টেকনিকাল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং চীনা পদক্ষেপের উত্তরে এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনীতিকে প্রভাবিত করবে—এমনটাই বলছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au