সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ১১ অক্টোবর- রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কর্মী সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে জাপার নেতাকর্মীরা একটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে কর্মী সমাবেশ শুরু করেন। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যোগ দিতে থাকেন। তবে সমাবেশের জন্য প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় পুলিশ তাদের সরে যেতে বলে।
এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে জাপা কর্মীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে, পুলিশও টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। কয়েক দফা ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, “জাতীয় পার্টির কর্মী সমাবেশ করার অনুমতি ছিল না। তারা সড়ক বন্ধ করে সমাবেশ করছিলেন। পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বললে তারা বাধা দেয় এবং পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করে। বাধ্য হয়ে টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়।”
সংঘর্ষ চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এতে এলাকায় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
সমাবেশে জিএম কাদের ও মহাসচিব পাটোয়ারীর বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। তবে সংঘর্ষ শুরু হলে তারা মঞ্চ থেকে সরে যান। ঘটনার সময় জিএম কাদের সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় অবস্থান নিয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাকরাইল এলাকা প্রায় ফাঁকা হয়ে যায়।