নোয়াখালীর সেনবাগে হিন্দুদের বসতঘরে আগুন, নেপথ্যে কারা?
ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : নোয়াখালীর সেনবাগে ভোররাতে হিন্দু পরিবারের একটি বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘরটির আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, আগুনে…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- গাজা যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে মুক্তি পাওয়া ১৫৪ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে জোরপূর্বক নির্বাসনে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মুক্তি দেওয়ার পর এসব বন্দীকে নিজ ভূমিতে ফিরতে না দিয়ে সীমান্তবর্তী নির্জন এলাকায় বা তৃতীয় দেশে পাঠানো হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি বন্দী বিষয়ক কমিশনের মুখপাত্র জানান, “এটি মুক্তি নয়, আরেক ধরনের শাস্তি।” তাঁর ভাষায়, “ইসরায়েল শর্তসাপেক্ষে যাদের মুক্ত করছে, তাদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিচ্ছে—এটি আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।”
অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, এই পদক্ষেপ “নিরাপত্তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে” এবং যেসব বন্দীর বিরুদ্ধে “উচ্চ ঝুঁকি” রয়েছে, তাদের গাজায় ফেরত পাঠানো হয়নি।
নির্বাসিতদের পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, মুক্তির খবর শুনে তারা সীমান্তে অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু বন্দীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এক মা বলেন, “আমার ছেলে ৮ বছর পর মুক্তি পেলেও তাকে বাড়ি ফিরতে দেওয়া হয়নি—এ কেমন স্বাধীনতা?”
জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় বলেছে, ফিলিস্তিনি বন্দীদের জোর করে নির্বাসনে পাঠানো চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী অবৈধ। সংস্থাটি ইসরায়েলকে এই পদক্ষেপ অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তুরস্কও বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির পর বন্দী বিনিময় নিয়ে ইসরায়েলি সরকার ঘরোয়া রাজনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে। ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর দাবি, “মুক্ত ফিলিস্তিনি বন্দীদের আবার সংঘাতে জড়ানো ঠেকাতে নির্বাসনই একমাত্র সমাধান।”
সম্প্রতি মিসরে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে ইসরায়েল ও হামাস—দুই পক্ষই অংশ নেয়নি। যুদ্ধবিরতির পর বন্দী বিনিময় কার্যক্রম শুরু হলেও দুই পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস এখনও চরম পর্যায়ে।
সুত্রঃ আল–জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au