অন্যান্য

শিশুটির মুখে ড্রাকুলার মতো দাঁত গজিয়েছিল

  • 10:55 pm - October 21, 2025
  • পঠিত হয়েছে:৬৯ বার
১১ মাস বয়সী শিশু অস্কার। রক্তচোষা ড্রাকুলার মতো দাঁত গজিয়েছে তার। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২১ অক্টোবর- আয়ারল্যান্ডের লেখক ব্রাম স্টোকার ড্রাকুলা নামের এক রক্তচোষা মানবের লোমহর্ষক কল্পকাহিনি লিখেছিলেন ‘ড্রাকুলা’ বইতে, সে প্রায় ১০০ বছরেরও আগে। ব্রাম স্টোকারের জন্মস্থান সে আয়ারল্যান্ডেই এক শিশুর মুখে দেখতে ঠিক রক্তচোষা ড্রাকুলার মতোই দাঁত গজিয়েছিল।

বেশি দিন আগের ঘটনা নয়। আয়ারল্যান্ডের ‘কাউন্টি লাউথ’ নামক স্থানে জন্ম নেয় শিশুটি, নাম অস্কার। অস্কারের বয়স যখন ১১ মাস, তার মুখে গজালো রক্তচোষা ড্রাকুলার মতো একটি দাঁত। এক রাতের মধ্যেই গজিয়ে উঠেছিল এটি। শিশুটির মা মিসেস টারা ও’ বার্নি দুধ খাওয়াতে গিয়ে শিশু অস্কারের মুখে সুচালো এ দাঁতের উপস্থিতি টের পান। এ ঘটনায় হতবাক হয়ে যান তিনি। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় ‘আউয়ার লেডি অব লোর্ডস’ হাসপাতালে। হাসপাতালের ডাক্তাররাও অবাক। তারা জানান, শিশুর এ দাঁতটি অস্বাভাবিক আকৃতির, উঠেছেও স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগে। তবে শিশুর মুখে গজিয়ে ওঠা এটি কি সত্যই দাঁত, নাকি অন্য কিছু, এ নিয়ে কোনো কোনো চিকিৎসকের মধ্যে দেখা দিল সংশয়। শেষে, ডাবলিন এর ‘টেম্পল স্ট্রিট শিশু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ দন্তচিকিৎসককে ডাকা হলো। শিশুর মুখে এ দাঁতটি যেহেতু গজিয়েছে ১১ মাস বয়সে, নিঃসন্দেহে এটি দুধ-দাঁত, তাই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো দাঁতটি তুলে ফেলার। খবরটা বেরিয়েছিল ‘ডেইলি মিরর’ পত্রিকায়।

মানুষের মুখে রক্তচোষা ড্রাকুলার মত দাঁত। যে রোগের কারণে মানুষের মুখে এমন দাঁত গজায়, তার নাম ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’। ছবিঃ সংগৃহীত

মানুষের মুখে রক্তচোষা ড্রাকুলার মত দাঁত গজানো নতুন ঘটনা নয়। আজ থেকে প্রায় নব্বই বছর আগে জার্মান দন্তচিকিৎসক জোসেফ ক্রাইস্ট রক্তচোষার মতো এ দাঁত এবং এর পেছনে জড়িত কারণটি প্রথম শনাক্ত করেন। যে রোগের কারণে মানুষের মুখে এমন দাঁত গজায়, তার নাম ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’।

এরপর ১৯৩০ সালের শুরুর দিকে জার্মান চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হার্মান সিমেন্স এ রোগের চরিত্র নিয়ে পরিষ্কার ধারণা দেন। ১৯৩০ সালের শেষের দিকে ফরাসি চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আলবার্ট তোরেন এ রোগের প্রকৃতি সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য উদ্‌ঘাটন করেন। ফলে, এ তিনজন চিকিৎসকের নামানুসারে এ রোগটিকে ‘ক্রাইস্ট-সিমেন্স-তোরেন সিন্ড্রোম’ নামেও ডাকা হয়। এ রোগের আরেকটি নাম আছে, তা হলো, ‘অ্যানহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’।

‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ রোগে মাতৃগর্ভে ভ্রূণ গঠনের সময় ত্বক, চুল, নখ, দাঁত এবং ঘামগ্রন্থি স্বাভাবিকভাবে গঠিত হয় না। ফলে জন্মের পর শিশুর মুখে সবগুলো দাঁত গজায় না, অধিকাংশ ক্ষেত্রে মুখে স্থায়ী দাঁতের অনুপস্থিতি দেখা দেয়। দাঁত যেগুলো গজায়, সেগুলোও আকারে হয় ছোট, হয়ে পড়ে সুচালো, দেখতে ড্রাকুলার রক্তচোষা দাঁতের মতো।

শুধু রক্তচোষা দাঁতই নয়, এ রোগে আক্রান্তদের মাথায় চুলের সংখ্যা কম থাকে, শরীরেও থাকে লোমের স্বল্পতা, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘হাইপোট্রাইকোসিস’। শরীরে চুল ও লোম গজায় ধীর গতিতে, কিন্তু হয়ে পড়ে ভঙ্গুর। আক্রান্তদের শরীরে ঘামগ্রন্থির সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে কিংবা ওগুলো যথাযথভাবে কাজ করে না। ফলে শরীরে ঘাম নিঃসরণ কমে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘হাইপোহাইড্রোসিস’ ঘটে এদের। জ্বরে আক্রান্ত হলে কিংবা অনেকক্ষণ তপ্ত আবহাওয়ায় অবস্থান করলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তখন ঘাম নিঃসরণের মাধ্যমে উঁচু তাপমাত্রা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায় শরীর। ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’য় এ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ রোগের আরো কিছু লক্ষণ আছে। আক্রান্তদের মুখাবয়ব স্বাভাবিকের চেয়ে আলাদা হয়। কপালের আকৃতি হয় উন্নত, ঠোঁট হয় পুরুষ্টু, দু’চোখের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত নাকের সেতু বা ‘নেজল ব্রিজ’ হয় চ্যাপ্টা। চোখের চারপাশের ত্বক হয় পাতলা ও ভাঁজযুক্ত, চোখের চারপাশে কালি পড়ে। ত্বকে ‘একজিমা’ এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি চর্মরোগ দেখা দেয়, নাক থেকে নির্গত হয় দুর্গন্ধময় পদার্থ। তবে ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ রোগটি খুব বিরল। ১৭০০০ জনে মাত্র ১ জন এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

লোমহর্ষক চলচ্চিত্রের জন্য খ্যাত আমেরিকান অভিনেতা মাইকেল জন বেরিম্যান ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’য় আক্রান্ত ছিলেন। তার গজিয়েছিল ড্রাকুলার মতো রক্তচোষা দাঁত। হয়তো সে কারণেই লোমহর্ষক চলচ্চিত্রে অভিনয় তাকে সাফল্য এনে দেয়। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে আমেরিকার স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ড এর মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি।
কীভাবে তৈরি হয় ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ রোগটি? আসলে এটি একটি জন্মগত রোগ। গর্ভে ভ্রুণ গঠনের ত্রুটির ফলে এ রোগের সৃষ্টি। ভ্রুণ সৃষ্টির প্রাথমিক অবস্থায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গঠনের ভিত্তি হিসেবে ভ্রণে তিন ধরণের টিস্যু বা কলার স্তর কাজ করে, যা ‘জার্ম স্তর’ নামে পরিচিত। জার্ম স্তরগুলো হলো, ‘এক্টোডার্ম’, ‘মেসোডার্ম’ ও ‘এন্ডোডার্ম’।

প্রাথমিক ভ্রণের জার্ম স্তরের সবচেয়ে বাইরের স্তরের নাম ‘এক্টোডার্ম’ যা শরীরের স্নায়ুতন্ত্র, দাঁত, মুখগহবরের আবরণী, ত্বক, চুল, নখ, ঘামগ্রন্থি ইত্যাদির উদ্ভব ঘটায়। এক্টোডার্ম থেকে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিকভাবে উদ্ভব হওয়ার জন্য এক্টোডার্ম ও মেসোডার্মের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বা ইন্টারঅ্যাকশন অত্যাবশ্যক। এক্টোডার্ম ও মেসোডার্ম স্তরের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আংশিক ‘সিগনালিং পাথওয়ে’ গঠনে কাজ করে কিছু প্রোটিন উপাদান। গর্ভাবস্থায় যখন ভ্রুণের বৃদ্ধি ঘটতে থাকে তখন WNT10A, EDA, EDAR এবং EDARADD নামের কতগুলো ‘জীন’ অর্থাৎ বংশানুগতি নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান এ প্রোটিনগুলো গঠনের জন্য নির্দেশনা পাঠায়। দুর্ভাগ্যবশত, যদি এ জীনগুলোর কোনো একটির মধ্যে ‘মিউটেশন’ বা রূপান্তর সৃষ্টি হয় তখন এক্টোডার্ম ও মেসোডার্মের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া বা ইন্টারঅ্যাকশন বাধাগ্রস্থ হয়। ফলে দেখা দেয় ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’। তখন ভ্রুণে ত্বক, চুল, নখ, দাঁত ও ঘামগ্রন্থির স্বাভাবিক গঠন বিঘ্নিত হয়।

মুখে ড্রাকুলার মত রক্তচোষা দাঁত গজানোর জন্য দায়ী WNT10A জীনের মিউটেশন। WNT10A জীনের মিউটেশনে ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ হলে প্রাপ্তবয়স্কদের মুখে সবগুলো স্থায়ী দাঁতের অনুপস্থিতি দেখা যায়।

অন্যদিকে, বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রেই ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ ঘটে EDA জীনের মিউটেশনের কারণে ‘এক্স-লিঙ্কড রিসেসিভ’ রীতিতে। EDA জীনের মিউটেশনের ফলে এ রোগ সৃষ্টি হলে তাকে ‘এক্স-লিঙ্কড হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ (XLHED) বলা হয়। যদিও EDAR এবং EDARADD জীনের মিউটেশনের কারণেও সৃষ্টি হতে পারে ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’, তবে তা সচরাচর কম দেখা যায়।

‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’র ফলে যদি ড্রাকুলার মতো দাঁত গজায়, কীভাবে হবে তার নিরাময়? এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে দরকার হয় দাঁতের সৌন্দর্যবর্ধক বা কসমেটিক চিকিৎসা। মুখে দাঁত না গজালে অনেক শিশু-কিশোরকেই কৃত্রিম দাঁত পরিধান করতে হয়। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যেহেতু শিশু-কিশোরদের চোয়ালের আকৃতি পরিবর্তিত হয়, ফলে কৃত্রিম দাঁতও নতুন করে বানাতে হয় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে। কারো কারো ক্ষেত্রে দাঁত সামঞ্জস্যকরণের জন্য ব্রেইস পরাতে হয়। বর্তমান সময়ে দাঁতের ইমপ্ল্যান্ট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মুখে গজানো রক্তচোষার মতো দাঁত তুলে ফেলে এবং দাঁত না গজানো চোয়ালে ইমপ্ল্যান্ট করে দাঁত বসিয়ে নিচ্ছে অনেকেই। তবে দাঁতের ইমপ্ল্যান্ট করাতে হলে চোয়াল পুরোপুরিভাবে গঠিত হতে হয়, ফলে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় রোগীকে।

এদিকে, বিজ্ঞানীরা ভাবছেন অন্য কথা। তারা ‘হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ প্রতিরোধের কথা ভাবছেন। এ জন্য তারা গবেষণা চালাচ্ছেন রীতিমত। ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাসে আমেরিকার এডিমার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ‘এক্স-লিঙ্কড হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ (XLHED) প্রতিরোধের জন্য ইডিআই ২০০ (EDI200) নামক ওষুধের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা শুরু করে। ২০১৬ সাল পর্যন্ত ‘এক্স-লিঙ্কড হাইপোহাইড্রোটিক এক্টোডার্মাল ডিসপ্লাসিয়া’ (XLHED) তে আক্রান্ত ১০ জন নবজাতকের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়। এতে নবজাতকদের সামগ্রিক অবস্থার উন্নতি হলেও এদের ঘামগ্রন্থি ও অন্যান্য জীববিজ্ঞান-ভিত্তিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি। এডিমার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির সূত্র ধরে একজন জার্মান চিকিৎসক,

ডা. হম স্নাইডার বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভস্থ ভ্রণের ওপর ইডিআই২০০ ওষুধের পরীক্ষা চালান। এ পরীক্ষায় তিনি দাঁত ও ঘামগ্রন্থি গঠনে ভাল ফলাফল অর্জন করেন। ওষুধটি নিয়ে আরো পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। পরীক্ষায় সফল হলে পৃথিবীতে আর কোনো ড্রাকুলা দাঁতের শিশুর জন্ম হবে না বলে আমরা আশা করছি।

লেখকঃ ডা. সিকদার নাজমুল হক; ডেন্টাল স্পেশালিস্ট, রিয়াদ, সৌদি আরব।

এই শাখার আরও খবর

আংশিক খুলছে কাতারের আকাশপথ, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংকারে লাখো ইসরায়েলি

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কাতার সীমিত পরিসরে তাদের আকাশপথ আবার খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।…

সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি

মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…

ব্যাংক হিসাবের বাইরে রয়েছে গোপন সম্পদ? প্রশ্নের মুখে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

মেলবোর্ন ৭ মার্চ: অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সেই উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে এখন দুর্নীতি,…

ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে সশস্ত্র রোবট, প্রযুক্তিনির্ভর লড়াইয়ে নতুন অধ্যায়

মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর ইউক্রেনের যুদ্ধ ধীরে ধীরে এক উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর সংঘাতে রূপ নিয়েছে। আকাশজুড়ে গুপ্তচর ও হামলাকারী ড্রোনের ঝাঁক নিয়মিত উড়তে…

ইরানে এযাবৎকালের ‘বৃহত্তম বোমাবর্ষণ’ হতে পারে আজ রাতেই

মেলবোর্ন,৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে…

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার অমর দিকনির্দেশনা

মেলবোর্ন ৭ মার্চ: আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এ দিনটি এক অনন্য, অবিস্মরণীয় এবং গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ সালের এই…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au