মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
কারাগারে থাকা সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে…
মেলবোর্ন, ২৯ অক্টোবর- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রচারণার ক্ষেত্রে নতুন সাতটি নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব নির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’-এ, যা জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ আয়োজনের নিয়ম আরও স্পষ্ট করেছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন এসব নির্দেশনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত রাখতে নতুন বিধানগুলো যুক্ত করা হয়েছে। এতে প্রার্থীদের মধ্যে সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে এবং জনসাধারণের চলাচল, আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা সহজ হবে।
নির্দেশনাগুলো হলো-
১. সমান অধিকার: নির্বাচনি প্রচারণায় সব প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন। কেউ অন্য প্রার্থীকে বাধা দিতে, ভয়ভীতি বা হুমকি দিতে পারবেন না।
২. প্রচার পরিকল্পনা: প্রচারণা শুরুর আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে তাদের প্রচার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। পরে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।
৩. লিখিত অনুমতি: জনসভা, সমাবেশ বা বড় ধরনের প্রচারণা আয়োজনের আগে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে এবং অনুমতির একটি কপি স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দিতে হবে।
৪. পুলিশকে অবহিত করা: জনসভা বা পথসভা আয়োজনের অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে লিখিতভাবে জানাতে হবে, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।
৫. চলাচলে বিঘ্ন রোধ: কোনো জনসভা বা সমাবেশ এমন স্থানে করা যাবে না, যেখানে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়— যেমন ব্যস্ত সড়ক, মহাসড়ক বা গণপরিবহন পথ।
৬. গোলযোগে করণীয়: কোনো ব্যক্তি বা দল যদি সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা বা গোলযোগ সৃষ্টি করে, আয়োজকরা দ্রুত পুলিশকে জানাবে এবং পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।
৭. বিদেশে প্রচারণা নিষিদ্ধ: কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী দেশের বাইরে জনসভা বা নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবে না।
নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন
এদিকে সোমবার (২৭ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। তার ভাষায়,
“যদি শতকরা হিসেবে বলি, তাহলে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন শেষ হলেই প্রস্তুতি শতভাগে পৌঁছাবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা রোডম্যাপ থেকে সামান্য পিছিয়ে আছি, তবে কোনো দুশ্চিন্তার কারণ নেই। বাকি সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।”
ইসি আশা করছে, এই নতুন নির্দেশনাগুলো মানলে নির্বাচনি প্রচারণা হবে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ, নিরাপদ ও সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au