মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ৬ নভেম্বর- চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে গুলিতে নিহত সরোয়ার হোসেন বাবলা ছিলেন পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডে সক্রিয় ছিলেন। একসময় আলোচিত ‘এইট মার্ডার’-এর আসামি সাজ্জাদ হোসেন খানের সহযোগী হিসেবেই তার অপরাধজীবনের শুরু। পরে গুরু সাজ্জাদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে আলাদা দল গঠন করেন তিনি, যা থেকেই শুরু হয় দুই গোষ্ঠীর রক্তক্ষয়ী বিরোধ।
বড় সাজ্জাদের নির্দেশে বাবলার ওপর একাধিকবার হামলা হয়, কিন্তু তিনি প্রতিবারই বেঁচে যান। শেষ পর্যন্ত বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকায় বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর প্রচারণায় গিয়ে পিঠে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলিবর্ষণে নিহত হন বাবলা।
পুলিশ জানায়, বাবলা একসময় সাজ্জাদ হোসেনের হাত ধরে অপরাধজগতে প্রবেশ করেন। তার সহযোগী নুরুন্নবী ম্যাক্সনসহ তারা চট্টগ্রামে আধিপত্য বিস্তার করতেন। ২০১১ সালে ম্যাক্সন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার স্বীকারোক্তিতে পুলিশ বায়েজিদ এলাকা থেকে বাবলাকেও আটক করে। তখন তাদের কাছ থেকে একে-৪৭ রাইফেল, পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার হয়।
২০১৭ সালে জামিনে মুক্ত হয়ে বাবলা ও ম্যাক্সন কাতারে পালিয়ে যান। সেখান থেকেও তারা চাঁদাবাজি চালাতেন বলে অভিযোগ ছিল। কাতারে মারামারির ঘটনায় সাজা খাটার পর ২০২০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বাবলাকে দেশে ফেরত পাঠায় কাতার পুলিশ। ঢাকায় নামার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং পরদিন তার বাসা থেকে একে-২২ রাইফেল ও গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। প্রায় চার বছর কারাভোগের পর মুক্ত হয়ে আবারও আলোচনায় ফেরেন তিনি।
কারাগারে থাকাকালীন সময়েই তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের ঘনিষ্ঠ হন। মুক্তির পর রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠেন বাবলা। মাত্র এক মাস আগে বিয়ে করেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির শীর্ষ কয়েকজন নেতা।
ঘটনার বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টার্গেট ছিলেন সরোয়ার বাবলা, বিএনপি প্রার্থী নয়। বাইরে থেকে আসা সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে।” তিনি এটিকে নির্বাচনের আগে “অশুভ সূচনা” হিসেবে উল্লেখ করেন এবং প্রচারণার আগে পুলিশকে জানাতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের পুরনো বিরোধের ফল।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au