চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৯ নভেম্বর- ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত তিনজন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে চালানো এই হামলায় তিনটি অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া একযোগে ৪৫০টিরও বেশি ড্রোন এবং ৪৫টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ডনিপ্রো শহরে একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত ও ১২ জন আহত হন। খারকিভ অঞ্চলেও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিডেনকো জানিয়েছেন, কিয়েভ, পলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার ও বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ, পানি ও তাপ সরবরাহ পুনরুদ্ধারে কাজ করছে।
জেলেনস্কি তার টেলিগ্রাম বার্তায় বলেন, “রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে শীতের আগে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেওয়ার জন্য জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, রাশিয়ার জ্বালানি খাতের প্রতিটি অংশের ওপর কোনো ব্যতিক্রম ছাড়া কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।
রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি নাফতোহাজ জানিয়েছে, চলতি শরতে মাত্র দুই মাসে রাশিয়া নয়বার গ্যাস স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভের আগ্রাসনের জবাবে তারা আকাশ, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক উচ্চনির্ভুল দীর্ঘ-পাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনের অস্ত্র উৎপাদন ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর এই হামলা চালিয়েছে।
রাশিয়ার আরও দাবি, তাদের বাহিনী পূর্ব ইউক্রেনের পোক্রভস্ক ও কুপিয়ানস্কের আশপাশে তীব্র লড়াইয়ে অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং একটি ছোট গ্রাম দখল করেছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনও নিয়মিতভাবে রাশিয়ার ভেতরে তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায়, কিয়েভ এখন মস্কোর যুদ্ধ চালানোর অর্থায়ন সক্ষমতা দুর্বল করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, তারা ৪০৬টি রুশ ড্রোন এবং ৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। তবে ২৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৫২টি ড্রোন ইউক্রেনের অন্তত ২৫টি স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।
পলতাভা অঞ্চলের ক্রেমেনচুক ও হোরিশনি প্লাভনি শহরের অধিকাংশ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। প্রায় দুই লাখ জনসংখ্যার ক্রেমেনচুক এবং প্রায় ৫০ হাজার অধিবাসীর হোরিশনি প্লাভনিতে এখন পানি সরবরাহও জেনারেটরের ওপর নির্ভর করছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au