ডিজিটাল মাধ্যমে নকলের জন্য শাস্তির বিধান রেখে ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন’ পাস
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল মাধ্যমে নকলের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান যুক্ত করে ‘পাবলিক পরীক্ষা…
মেলবোর্ন, ২৮ নভেম্বর- পাবনার ঈশ্বরদীর চরগড়গড়ি আলহাজ মোড় এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাবনা ৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলও রয়েছেন। মক্কেল মৃধা, মনিরুল ইসলাম, লালন মৃধা এবং আলীম হোসেন বাঁধনের নামও প্রাথমিকভাবে পাওয়া গেছে। সবাইকে ঈশ্বরদী ও পাবনার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় আগের দিন। বুধবার সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের আহবায়ক মক্কেল মৃধাসহ তার লোকজন জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি হাফেজ ইকবাল হোসেন ও আরও একজনকে মারধর করে। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার একই স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এবং জামায়াতের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি তারা নির্বাচনী প্রচারও চালাচ্ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তখন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারীরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং আবু তালেবের গাড়িসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।
হামলার পর দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এলাকায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পাশাপাশি গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দমকলকর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পুরো সময়জুড়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
জামায়াতপ্রার্থী আবু তালেব মন্ডলের দাবি, তারা পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি পালন করছিলেন। সেই সময় বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী মক্কেল মৃধার নেতৃত্বে অস্ত্রধারীরা তাদের ওপর হামলা চালায় এবং গুলি ছোড়ে। তিনি বলেন, তার গাড়ি ও শতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ৬০ থেকে ৭০ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামায়াতের লোকজনই পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান হামদু মেম্বার বলেন, জামায়াতের হামলায় মক্কেল মৃধা, তার ছেলে মনিরুল ইসলাম, যুবদলকর্মী লালন মৃধা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আলীম হোসেন বাঁধনসহ ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি আ স ম আব্দুন নূর জানান, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au