বিশ্ব

১৪ দফা সমঝোতায় সাক্ষর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অবসান, নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা ইরানের

  • 4:12 pm - June 19, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩০ বার
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অবসান, নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা ইরানের । ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা, সামরিক সংঘাত, জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক উদ্বেগের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। গত বুধবার ডিজিটাল পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এর মধ্য দিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইরান এটিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছে। তেহরানের শীর্ষ নেতারা দাবি করেছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে চাপের মুখে না পড়ে বরং দৃঢ় অবস্থান থেকে আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। অপরদিকে ওয়াশিংটনে এই সমঝোতা নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থক ও সমালোচকদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

সমঝোতা অনুযায়ী, এখন থেকে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে দুই দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। এরই মধ্যে ১৪ দফা সমঝোতার বেশ কয়েকটি ধারা কার্যকর হওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার একটি স্পষ্ট প্রমাণ। তাঁর ভাষায়, সামরিকভাবে যে লক্ষ্য অর্জনের কথা ওয়াশিংটন বলেছিল, তা তারা করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তাদের আলোচনার টেবিলে ফিরতে হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, দুই নেতা নিজ নিজ ভাষায় সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তেহরানে অবস্থান করেই এতে সই করেন। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ভার্সাই প্রাসাদে অবস্থানকালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দেওয়ার আগে ট্রাম্প এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

চুক্তির অন্যতম আলোচিত দিক হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে অবস্থানের পরিবর্তন। যুদ্ধ শুরুর আগে ও চলাকালে ট্রাম্প একাধিকবার বলেছিলেন, ইরানকে কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রাখতে দেওয়া হবে না। কিন্তু সমঝোতার দিন তিনি বলেন, একটি দেশের ন্যূনতম প্রতিরক্ষা সক্ষমতা থাকা অন্যায্য নয়। এই বক্তব্যকে অনেক বিশ্লেষক ওয়াশিংটনের অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

সমঝোতা স্মারকে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি আন্তর্জাতিক তহবিল গঠনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের আওতায় নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, এটি কেবল একটি প্রাথমিক সমঝোতা। ইরান যদি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বা আলোচনার অগ্রগতি ব্যাহত করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব বিকল্প বিবেচনা করবে। তাঁর ভাষায়, শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব উভয় পক্ষের।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান একে একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে অর্জিত এই সমঝোতা প্রমাণ করেছে যে চাপ, নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হুমকির মুখেও ইরান নিজের স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদা বিসর্জন দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই অর্জন জাতীয় ঐক্য, জনগণের ধৈর্য, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং দায়িত্বশীল কূটনীতির ফল।

এই সমঝোতায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইসলামাবাদ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে সমঝোতা প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, তারা ভবিষ্যতের আলোচনাগুলোতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো মধ্যপ্রাচ্যের সব যুদ্ধক্ষেত্রে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করার অঙ্গীকার। এর মধ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে বাস্তবে এখনো সেই লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর বিশ্ব অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক ইতিবাচক প্রভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। কয়েক মাসের অচলাবস্থার পর আবারও হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে তেল পরিবহন শুরু হয়েছে। সৌদি আরবের তিনটি সুপারট্যাঙ্কার প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে নিরাপদে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ অতিক্রম করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পর মাত্র একদিনেই এক কোটি ২৫ লাখ ব্যারেল তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে। যদিও যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ এখনও অনেক কম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের সময় প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরতে আরও সময় লাগবে। পশ্চিমা কয়েকটি দেশ মাইন অপসারণে সহায়তার প্রস্তাব দিলেও ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের নিজস্ব দায়িত্ব এবং বাইরের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন নেই।

এদিকে সমঝোতা নিয়ে ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়েছে। রিপাবলিকান পার্টির একটি অংশ চুক্তির বিরোধিতা করছে। তাদের দাবি, যুদ্ধের পর ইরানের অবস্থান আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। তারা শুধু টিকে থাকেনি, বরং অর্থনৈতিক ছাড় এবং কূটনৈতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।

নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা ইরানেরনিজেদের বিজয়ী ঘোষণা ইরানের। ছবিঃ সংগৃহীত

সমালোচকদের অভিযোগ, এই সমঝোতা ইরানকে নতুন শক্তি ও প্রভাব অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। তবে ট্রাম্প এসব সমালোচনাকে উড়িয়ে দিয়ে সমালোচকদের ‘বোকা, মিথ্যাবাদী ও নির্বোধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

অন্যদিকে সমর্থকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে এনে ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন। তাঁরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতেই এই সমঝোতা প্রয়োজন ছিল।

জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন এক কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি। কারণ, যুদ্ধের সময় ইরানকে বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরলেও এখন তাঁকে একই দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতা বাস্তবায়ন করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতার সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার জায়গা এখন লেবানন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও ইসরায়েল এখনো কোনো সমঝোতার অংশ নয়। ফলে লেবাননে চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়াই নতুন করে সংকটে পড়তে পারে।

লেবাননে চলমান সংঘাতে ইতোমধ্যে হাজারো মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প নিজেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলার সমালোচনা করেছেন এবং বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী মন্ত্রীরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তারা সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। এমনকি ইসরায়েল নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকাকে নিজেদের নিরাপত্তা বাফার জোন হিসেবে দেখিয়েছে।

অন্যদিকে হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতাকে বড় বিজয় হিসেবে বর্ণনা করলেও তিনি বলেছেন, লেবাননের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। রুশ নেতা বলেছেন, এটি শুধু মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁর মতে, এই সমঝোতা ভবিষ্যতের বৃহত্তর শান্তিচুক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া ১৪ দফা সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে যুদ্ধের অবসান ঘোষণার পরও লেবানন, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘিরে বহু প্রশ্নের উত্তর এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। আগামী ৬০ দিনের আলোচনা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থানই নির্ধারণ করবে এই সমঝোতা সত্যিই স্থায়ী শান্তির পথে এগোবে, নাকি নতুন কোনো সংকটের সূচনা করবে।

সূত্রঃ রয়টার্স

এই শাখার আরও খবর

নাইজারের বৃহত্তম বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলা, নিহত ৩৫

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম বিমানবন্দর দিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ বন্দুক ও বোমা হামলায় অন্তত ৩৫ জন…

ভারী বৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গে ধস ও বন্যার আশঙ্কা, দার্জিলিং–শিলিগুড়ি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- রাতভর টানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গে পাহাড়ি ও সমতল এলাকা। পাহাড় থেকে সমতল পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় ধস, সেতু…

পঙ্কজ হত্যা মামলা: মালয়েশিয়া পালাতে গিয়ে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- চট্টগ্রামে পটিয়ায় পঙ্কজ শীল হত্যা মামলায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। হত্যাকাণ্ডের পর সীমান্ত দিয়ে মালয়েশিয়ায় পালানোর পরিকল্পনা, দেশের ভেতরে…

যোগ: আমার অভিজ্ঞতায় শরীর-মন-আত্মার মিলন ও জাতির শ্বাস-প্রশ্বাস

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ২০১৫ সাল থেকে সারাবিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। আমি নিজে প্রথম  ২০১৭ সালের ২১ জুন ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতীয় হাইকমিশনের…

ছয় গোল, হ্যাটট্রিক, দুই লাল কার্ড ও ভয়াবহ চোটের ম্যাচে কানাডার ঐতিহাসিক জয়

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে কাতারের বিপক্ষে এক নাটকীয় ও ঘটনাবহুল ম্যাচে ৬-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে কানাডা। ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে…

প্রায় এক হাজার ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ আটক, গণপিটুনির পর কারাগারে

মেলবোর্ন, ১৯ জুন- সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে প্রায় এক হাজার ইয়াবাসহ নিজেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়দানকারী এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে ও তার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au