ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন, ৩ ডিসেম্বর- টিএফআই সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তার ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন খারিজ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর ফলে পরবর্তী শুনানিতে তাদের সশরীরেই আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।
বুধবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল এই আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
২৩ নভেম্বর দায়ের করা ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদনটি এদিন শুনানি শেষে খারিজ করা হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী তোবারক হোসেন যুক্তি তুলে ধরেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আদালত দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত দেন।
শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল পর্যবেক্ষণে জানায়, দেশের বিভিন্ন মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি, সাবেক মন্ত্রীসহ অনেক অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব নিয়মিত সশরীরে হাজিরা দিচ্ছেন। আইন সবার জন্য সমান, তাই এ মামলার আসামিদের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য।
মামলায় গ্রেপ্তার কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, সাবেক গোয়েন্দা পরিচালক কর্নেল মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম।
এ ছাড়া আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) খায়রুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগপত্র গত ৮ অক্টোবর দাখিল করে প্রসিকিউশন। অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা ১০ কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আসামিদের হাজিরায় ব্যর্থ হওয়ায় তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করা হয়েছে।
আসামিদের সশরীর হাজিরার বাধ্যবাধকতা থাকায় পরবর্তী কার্যক্রমেও আদালতে উপস্থিতির ওপর জোর থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au