নতুন হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে জাহাজ চলাচল
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও…
মেলবোর্ন, ১১ ডিসেম্বর- ২০২৪ সালের ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণআন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিরাট পরিবর্তন এনেছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগকে সরিয়ে নতুন মেরুকরণের জন্ম দিয়েছে এই আন্দোলন। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির আওতায় আনতে ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সামনে যে সরকার আসবে তাকে মোকাবিলা করতে হবে মুদ্রাস্ফীতি, দুর্নীতি, রাষ্ট্র পরিচালনার দুর্বলতা এবং জলবায়ু ঝুঁকির মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ। স্থায়ী গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়তে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান তৈরি করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
শেখ হাসিনার সরকারের পর ২০২৪ সালের আগস্টে দেশ কঠিন এক উত্তরণে প্রবেশ করে। এই পরিবর্তন গণতান্ত্রিক রূপান্তরে পরিণত হবে কি না তা নির্ভর করছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কতটা পুনর্গঠিত হয় এবং অর্থনৈতিক, জলবায়ু ও আঞ্চলিক চাপ কতটা সামাল দেওয়া যায় তার ওপর।
অন্তর্বর্তী সরকার আগের ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিচার চলছে। ১৭ নভেম্বর ২০২৫ শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দলটির সব রাজনৈতিক কার্যক্রম ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ স্থগিত। ছাত্রলীগও নিষিদ্ধ হয়েছে বর্ণবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবিতে।
এই প্রক্রিয়া নিয়ে সমাজে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। সমর্থকেরা মনে করেন, জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র আবার স্বৈরতন্ত্রের দিকে ফিরে যেতে পারে। সমালোচকেরা বলছেন, যুদ্ধাপরাধের আদালতকে সমসাময়িক রাজনৈতিক মামলায় ব্যবহার সঙ্গত নয় এবং এটি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
সুত্রঃ East Asia Forum
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au