‘অপারেশন পালস’ নামে এই অভিযান শুরু হয় ৮ ডিসেম্বর এবং এটি একটি ৯০ দিনের বিশেষ উদ্যোগ। অভিযানের আওতায় রয়েছে মেলবোর্নের চারটি বড় শপিং সেন্টার- নর্থল্যান্ড, হাইপয়েন্ট, ইস্টল্যান্ড ও ফাউন্টেন গেট- যেখানে বড়দিন ও বক্সিং ডে উপলক্ষে কেনাকাটার ভিড় বেড়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১০৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মোট ২১৭টি অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি ছিল চুরির চেষ্টা সংক্রান্ত। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছে এক ১৫ বছর বয়সী কিশোর, যার কাছে একটি হান্টিং নাইফ পাওয়া গেছে, চুরি করা হাতুড়ি দিয়ে মারামারিতে জড়িত দুই ব্যক্তি, এবং ৮০০ ডলারের পোশাক চুরি করা দুইজন।
একদিনেই পুলিশ উদ্ধার করে একটি ব্যাটন, একটি নকল ডাস্টার, একটি ড্যাগার এবং তিনটি ছুরি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৩০টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে দোকান কর্মীদের ওপর দুর্ব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে। এক নারী একটি কম্পিউটার দোকান থেকে বেরিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক আচরণ করলে তাকে পুলিশ সরিয়ে দেয়।
এছাড়া, ১০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে শপিং সেন্টার ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ৪১টি সতর্কবার্তা ও ৩৮টি জরিমানা নোটিস জারি করা হয়েছে।
ভিক্টোরিয়া পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (রিজিওনাল অপারেশনস) বব হিল বলেন, ছুটির মৌসুমজুড়ে এই শক্ত পুলিশি উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন,
“বক্সিং ডে সেলস ও স্কুল ছুটির সময় চলাকালে ভিক্টোরিয়া পুলিশ ক্রেতা ও খুচরা দোকানের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে রয়েছে।
ইতোমধ্যে আমরা ১০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছি, বহু অস্ত্র উদ্ধার করেছি এবং ঝামেলা সৃষ্টি করতে চাওয়া বহু ব্যক্তিকে সরিয়ে দিয়েছি।
আমরা এমন কাউকে সহ্য করব না যারা সহিংসতা, আগ্রাসন ও অস্ত্র নিয়ে এমন জায়গায় আসে যেখানে সবার নিরাপদ বোধ করার কথা।”
ভিক্টোরিয়া পুলিশ জানিয়েছে, অপারেশন পালসের আওতায় পুলিশ ও পিএসওদের শিফটগুলো স্বেচ্ছাসেবী, এবং এগুলো নিয়মিত টহলের অতিরিক্ত হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, ফলে স্বাভাবিক পুলিশি সেবায় কোনো প্রভাব পড়ছে না।
সূত্র: এবিসি