আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১০ জানুয়ারি- সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং মন্দির ও বসতবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট। শুক্রবার ৯ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৩টায় আয়োজিত এই সমাবেশে সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সনাতনী সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা ধারাবাহিকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন। তাদের দাবি, এসব ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়; বরং পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ সহিংসতার অংশ। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘুদের জানমাল, বসতবাড়ি ও ধর্মীয় স্থাপনার ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে নির্যাতনের শিকার মানুষদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ কুমার হালদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘সব কথার এক কথা, মানতে হবে আট দফা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে তারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে একাধিক জরুরি দাবি উত্থাপন করেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে সারা দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর পরিকল্পিত নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, হত্যা, ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জানমাল ও ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই ধরনের ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নীরব থাকা মানেই অন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। তারা সমাজের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় তারা বলেন, যেখানে ঐক্য নেই সেখানে ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিভেদ নয়, বরং পারস্পরিক সহাবস্থান ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার মধ্য দিয়েই একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
শুক্রবার ছুটির দিনে আয়োজিত এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সনাতনী সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। তারা অবিলম্বে দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au