চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১২ জানুয়ারি- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ভয় পেয়ে দেশ ছাড়েননি। দেশ ছেড়েছিলেন সাধারণ মানুষের স্বার্থে, তাদের প্রাণহানী এড়াতে। তার কারণে লাখ লাখ নিরাপরাধ মানুষ যাতে বিপদে না পড়ে, এই শঙ্কা থেকেই বাধ্য হয়েছিলেন দেশ ছাড়তে।
তিনি আবারও বাংলাদেশে ফিরবেন জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং তার দেশে ফেরা এক সুতোয় বাঁধা। তাকে তাই দেশে ফিরতেই হবে। তবে তা নির্ভর করছে আওয়ামী লিগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, অবাধ-সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন পরিচালনার উপর।”
ভারতের ‘সংবাদ প্রতিদিন’কে দেওয়া এক ইমেইল সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। এই সাক্ষাৎকার সোমবার গণমাধ্যমটির প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি অনলাইনেও প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বৈধ সরকার স্থাপিত হলে এবং বিচার বিভাগ তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ফিরে পেলে, আমি অবশ্যই চাইব বাংলাদেশে ফিরে যেতে। জীবনের সবটুকু তো বাংলাদেশকেই দিয়েছি আমি। বাংলাদেশেরই সেবা করেছি।”
মৌলবাদীরা যতই চেষ্টা করুক না কেন জাতির পিতা শেখি মুজিবুর রহমানের নাম মুছে দিতে পারবে না- জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভেঙে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে ওরা। কিন্তু যতই চেষ্টা করুক না কেন- তাদের সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না।”
‘জুলাই আন্দোলন’ এর পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিবিজরিত ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বরের বাড়িটিতে কয়েকবার হামলা চালিয়ে বেশিরভাগ অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। যার নেতৃত্ব দেয় স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও মৌলবাদী গোষ্ঠী।
এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমার সোনার দেশে এখন যারা ক্ষমতায় রয়েছে, তারা পারলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও মুছে ফেলতে চায়। আমাদের ভবিষ্যৎকে সুষ্ঠু ও সুনিশ্চিত করতে যারা এত বলিদান দিলেন, তাদের স্মৃতির প্রতিও অবমাননা প্রদর্শন করা, মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা করা, আমার চোখে অত্যন্ত ঘৃণ্য অপরাধ।”
“মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার কোনও একটি স্থানে বা কোনও বিশেষ বস্তুতে সীমিত নয়। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দিয়েছে গণতন্ত্র, সাম্য, ধর্মনিরপেক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ধারণা। সেসবের নির্যাস কি এত সহজে ধুয়েমুছে সাফ করে ফেলা যাবে? বাংলাদেশের মাটি থেকে একটি ইমারত বা স্মৃতিসৌধকে মুছে ফেলা সহজ, কিন্তু বাংলাদেশের আত্মায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অক্ষয় হয়ে থাকবে।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়েছিলেন শেখ হাসিনা। তারপর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
এ জন্য ভারত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে হাসিনা বলেন, “ভারতের একটি অজ্ঞাত স্থান থেকে এই সাক্ষাৎকার দিচ্ছি। চরম বিপদের সময় ভারত যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে, যে উষ্ণ আতিথেয়তা আমাকে দিয়েছে, সেজন্য আমি চিরকৃতজ্ঞ।”
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন.ইন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au