চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১৭ জানুয়ারি- জামায়াতের সঙ্গে আলোচনাকে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবেই দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছে ভারত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতের একজন কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে সম্প্রতি যে আলোচনা তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করল নয়াদিল্লি।
শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক এই বৈঠক প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৈঠকের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সম্পর্কের অংশ হিসেবেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হয়। তিনি বলেন, ঢাকায় অবস্থিত ভারতের হাইকমিশনের কর্মকর্তারা নিয়মিত নানা সংলাপ ও বৈঠকে অংশ নেন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যে বৈঠকের কথা বলা হচ্ছে, সেটিকেও সেই সাধারণ কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটেই দেখা উচিত।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের কূটনীতিকেরা তার সঙ্গে প্রকাশ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেও ভারতীয় ওই কূটনীতিক বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ করেছিলেন। শফিকুর রহমানের ভাষায়, ভারতীয় কর্মকর্তা তাকে বৈঠকটি প্রকাশ্যে না আনার কথা বলেছিলেন।
ওই সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির আরও বলেন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সব পক্ষেরই একে অপরের কাছে খোলা থাকা প্রয়োজন। তার মতে, সম্পর্কোন্নয়ন ছাড়া সামনে এগিয়ে যাওয়ার অন্য কোনো পথ নেই।
ডা. শফিকুর রহমানের এই মন্তব্য প্রকাশের পর রয়টার্স ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিল। তবে সে সময় নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রায় দুই সপ্তাহ পর ভারতের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি ওঠে আসার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এই বৈঠক নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান জানাল দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারতের বক্তব্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠককে আলাদা করে না দেখে তা নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সংলাপের ধারাবাহিকতা হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au