চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২২ জানুয়ারি- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে চূড়ান্ত তালিকায় ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন বাদে) মোট এক হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী এক হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৪৯ জন।
গত মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর পরদিন বুধবার রাতে নির্বাচন কমিশন দলভিত্তিক প্রার্থীর পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে পাবনা–১ ও পাবনা–২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ নিতে হলে নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন থাকতে হয়। বর্তমানে দেশে ৬০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে এবং দলটি এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। এ ছাড়া নিবন্ধিত আরও আটটি দল থাকলেও তারা কেউই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী দেয়নি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রার্থী রয়েছেন ২৮৮টি আসনে। এরপর রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, যারা ২৫৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আছেন ২২৪টি আসনে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংখ্যা ১৯২টি আসনে। জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণ অধিকার পরিষদের ৯০ জন, সিপিবির ৬৫ জন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের ৩৯ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ জন, আমার বাংলাদেশ পার্টির ৩০ জন, জেএসডির ২৬ জন, খেলাফত মজলিসের ২১ জন, গণফোরামের ১৯ জন, গণসংহতি আন্দোলনের ১৭ জন এবং নাগরিক ঐক্যের ১১ জন প্রার্থী রয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের অবস্থান নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ের আগের দিন দলটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, তারা এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। তবে মনোনয়ন দাখিলের সময় শেষে নির্বাচন কমিশনের তালিকায় দলটির সাতজন প্রার্থীর নাম পাওয়া যায়। তখন জাসদ দাবি করেছিল, তারা কাউকে মনোনয়ন দেয়নি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে কমিশনের চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেছে, জাসদের ছয়জন প্রার্থী নির্বাচনে রয়েছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাসদের ১১ জন প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে প্রকাশিত এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে বহুদলীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, যেখানে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থীও ভোটের মাঠে রয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au