চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন ২২ জানুয়ারি- নাটোরের সিংড়ায় এক কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যার ঘটনার জেরে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে ‘বিক্ষুব্ধদের দেওয়া আগুনে’ এক বৃদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের মাত্র দেড় ঘণ্টা পর ঘটে যাওয়া এই অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিংড়া উপজেলার কুমারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত বৃদ্ধা কুমারপাড়া এলাকার হাশেম আলীর ছেলে ওহাবের বাড়িতে বসবাস করতেন। আগুন লাগার সময় বাড়ির অন্য সদস্যরা কোনোভাবে বেরিয়ে যেতে পারলেও তিনি ঘরের ভেতরেই আটকা পড়ে যান এবং দগ্ধ হয়ে মারা যান।
এর আগে একই রাতে, রাত ১১টার দিকে কুমারপাড়া এলাকায় বিলহালতি ত্রিমোহনী ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিমকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিন থেকে চারটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা রেজাউল করিমকে বাড়ির সামনে ডাকাডাকি করে বাইরে আনেন। তিনি বাইরে এলে সেখানেই তাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে দ্রুত পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
শিক্ষক হত্যার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই ঘটনার পরপরই কিছু বিক্ষুব্ধ মানুষ ওহাবের বাড়িতে আগুন দেয় বলে প্রশাসনের প্রাথমিক ধারণা।
সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রিফাত স্থানীয়দের বরাতে জানান, আগুন লাগার সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা নিরাপদে সরে গেলেও ওহাবের বৃদ্ধা মা বের হতে পারেননি। তার নাম ও বয়স তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নিহত শিক্ষক রেজাউল করিম সিংড়া উপজেলা জিয়া পরিষদের সদস্য ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম বলেন, শিক্ষক রেজাউল করিমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
দুটি ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে, তবে এই সহিংস ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au