মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ২২ জানুয়ারি- বাংলাদেশ ইস্যুতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের কথা ভাবা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর অনুরোধ নাকচ করার পর প্রতিবাদ হিসেবে পাকিস্তানের এই টুর্নামেন্টে না খেলার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ইউটিউব চ্যানেল ‘CaughtBehindShow’-এ দেওয়া এক আলোচনায় রশিদ লতিফ বলেন, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যদি ম্যাচ না হয়, তাহলে বিশ্বকাপের অর্ধেক আকর্ষণই নষ্ট হয়ে যাবে। তার ভাষায়, এটি বর্তমান ক্রিকেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার বড় সুযোগ। তিনি বলেন, পাকিস্তানের উচিত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানানো। এখনই শক্ত অবস্থান নেওয়ার সময়, আর সেটা করতে হলে সাহসী হৃদয় প্রয়োজন।
আইসিসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে রশিদ লতিফ বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে সংস্থাটির দেওয়া আশ্বাস বাস্তবসম্মত নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আজ আইসিসি বলছে ভারতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কোনো ঝুঁকি নেই। কিন্তু পৃথিবীর কোনো সংস্থাই শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারে না যে কোথাও কোনো বিপদ নেই। এমনকি সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাতেও এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে আইসিসি কীভাবে এমন দাবি করতে পারে। তিনি বলেন, আশা করা যায় কোনো দলের সঙ্গে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।
রশিদ লতিফ এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবও রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, যেখানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ পর্যন্ত প্রভাব রয়েছে। তার মতে, এখনো ট্রাম্প কার্ড পাকিস্তানের হাতেই আছে। বাংলাদেশের অবস্থান সঠিক, আর পাকিস্তানের জন্য এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর আসবে না।
পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, শুধু বক্তব্য বা বিবৃতি দিয়ে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার ভাষায়, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ না খেলে, তাহলে সেটি কার্যত বিশ্বকাপ থামিয়ে দেওয়ার মতো প্রভাব ফেলবে। পাকিস্তানই এখানে মূল চাবিকাঠি। তিনি স্বীকার করেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, আইসিসি ইভেন্টে অংশ না নিলে নিষেধাজ্ঞাও আসতে পারে। তবে শুধু কথার কোনো মূল্য নেই, এখনই প্রমাণ করার সময় যে আপনি কার পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমন্বয়ের কথাও তুলে ধরেন রশিদ লতিফ। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে যদি পারস্পরিক আস্থা থাকে, তাহলে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তিনি বলেন, এখন দেখার বিষয় বাংলাদেশ আইসিসির আল্টিমেটামের জবাবে কী সিদ্ধান্ত নেয়।
সবশেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত চাপের কাছে নতি স্বীকার করে বিশ্বকাপে খেলে, তাহলে দুই দেশকেই সব দিক থেকে সমালোচনার মুখে পড়তে হবে। তার ভাষায়, তখন চারদিক থেকেই ধাক্কা আসবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au