মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ২৮ জানুয়ারি- মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে বহনকারী একটি ছোট বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। বুধবার সকালে বারামতীর কাছে পাহাড়ি এলাকায় জরুরি অবতরণের চেষ্টা চলাকালে বিমানটি ভেঙে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ার গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই বিমানে অজিত পাওয়ার ছাড়াও তাঁর দেহরক্ষী ও সহকারীসহ মোট পাঁচ থেকে ছয়জন আরোহী ছিলেন। সকালবেলা এলাকায় ঘন কুয়াশা থাকায় দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। সে কারণেই পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার সময় বিকট শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজে সহায়তা করেন। পরে প্রশাসন ও জরুরি পরিষেবার কর্মীরা সেখানে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান।
জানা গেছে, এদিন বারামতীতে অজিত পাওয়ারের একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল। জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারে তাঁর চারটি সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই তিনি সকালে ছোট বিমানে যাত্রা করছিলেন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পরিস্থিতির খোঁজ নেন। এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারও অজিত পাওয়ারের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর বারামতী ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে বহনকারী একটি ছোট বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। বুধবার সকালে বারামতীর কাছে পাহাড়ি এলাকায় জরুরি অবতরণের চেষ্টা চলাকালে বিমানটি ভেঙে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ার গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই বিমানে অজিত পাওয়ার ছাড়াও তাঁর দেহরক্ষী ও সহকারীসহ মোট পাঁচ থেকে ছয়জন আরোহী ছিলেন। সকালবেলা এলাকায় ঘন কুয়াশা থাকায় দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। সে কারণেই পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার সময় বিকট শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজে সহায়তা করেন। পরে প্রশাসন ও জরুরি পরিষেবার কর্মীরা সেখানে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান।
জানা গেছে, এদিন বারামতীতে অজিত পাওয়ারের একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল। জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারে তাঁর চারটি সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই তিনি সকালে ছোট বিমানে যাত্রা করছিলেন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস স্থানীয় হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পরিস্থিতির খোঁজ নেন। এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারও অজিত পাওয়ারের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর বারামতী ও আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au