ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, নিহত ১
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়ানোর ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে…
মেলবোর্ন ৩১ জানুয়ারি- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের হুমকির মধ্যেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে ‘ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে ইরান। তবে হুমকি ও চাপের মুখে কোনো আলোচনা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে তেহরান।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইরানের কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু তা হতে হবে সমতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। তিনি বলেন, হুমকি দিয়ে আলোচনায় বসার চেষ্টা করলে ইরান তা গ্রহণ করবে না।
আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আরাগচি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আলোচনার বিষয় নয়। তার ভাষায়, ‘ইরানের মিসাইল ও প্রতিরক্ষা শক্তি নিয়ে কোনো অবস্থাতেই আলোচনা হবে না।’
তিনি বলেন, ইরানি জনগণের নিরাপত্তা অন্য কোনো দেশের আলোচ্য বিষয় হতে পারে না। দেশের নিরাপত্তার প্রয়োজনে যতটা দরকার, ততটাই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করবে ইরান। আরাগচির মন্তব্য, নিজের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা প্রশ্নে কোনো দেশই আপস করতে রাজি হয় না। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা যেমন আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তেমনি যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে চাপের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকি এই উত্তেজনাকে আরও ঘনীভূত করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এগোচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এর অংশ হিসেবে ইরানের সরকারি অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানোর সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার চেয়েও শক্তিশালী একটি মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ফিরতে তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান আসলে চুক্তি করতে চায়। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী নৌবহর ও পুনর্গঠিত সামরিক বাহিনী। তার ভাষায়, ‘জাহাজগুলো তো কোথাও না কোথাও থাকবে, ইরানের কাছেই থাকুক।’ একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, ওই অঞ্চলে বহু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রকাশ্যে কঠোর বক্তব্যের মধ্যেও উভয় পক্ষই আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ রাখতে চাইছে না। তবে পারস্পরিক অবিশ্বাস, সামরিক হুমকি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে অনড় অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সুত্রঃ আল-জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au