চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৩ ফেব্রুয়ারি- নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)–এর এহসার সদস্য আহসান জহীর খানকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
সিটিটিসি সূত্র জানায়, রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যান লেকের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৫০ বছর বয়সী আহসান জহীর খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন এবং তার সঙ্গে সংগঠনের কয়েকজন পলাতক সহযোগীর উপস্থিতির তথ্যও ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আহসান জহীর খান নব্য জেএমবি’র একজন সক্রিয় সদস্য। তিনি ও তার সহযোগীরা সংগঠনের উগ্রবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সম্পদের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারা ঘটনাস্থলে মিলিত হওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে সিটিটিসি দাবি করেছে।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে অনলাইনভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছিল। তারা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রুপ চ্যাট, ব্যক্তিগত চ্যাট এবং চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখত। এসব অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তারা ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করে উগ্রবাদী লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শ প্রচার এবং বাস্তবায়নের জন্য সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করত।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, আহসান জহীর খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বিচারাধীন আছে। সর্বশেষ গ্রেফতারের পর তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটিটিসি।
সিটিটিসি কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীসহ সারা দেশে জঙ্গিবাদ দমন এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তাদের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের উগ্রবাদী তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তারা উল্লেখ করেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au