পুরনো উইকিতে হাজারো এআই এজেন্টের গোপন যোগাযোগ
জার্মানির প্রায় ২৫ বছরের পুরনো একটি প্রোগ্রামিং উইকি হঠাৎ করেই হাজারো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের যোগাযোগকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। ২০২৬ সালের মে থেকে জুনের শেষ…
মেলবোর্ন,৪ ফেব্রুয়ারি- মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্মাণাধীন একটি মার্কেটের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে আলমগীর হোসেন (৫০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর ভাইসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার বালাশুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন বালাশুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি তাঁর ভাই তমিজউদ্দীনের সঙ্গে যৌথভাবে বালাশুর বাজারে ‘তমিজ মার্কেট’ নামে একটি মার্কেট নির্মাণ করছিলেন। স্থানীয়রা জানান, জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছিল।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন তমিজউদ্দীন (৬৫), জাহাঙ্গীর আলম (৫৫), তারেক হোসেন (৩৫), তানসেল ইসলাম (২২), তুষার (২৪), আব্দুর রহমান (২৩)সহ আরও কয়েকজন। তাঁদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে কয়েকজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, বালাশুর এলাকার হান্নান গং, মানিক হোসেন ওরফে মানিক ডাকাত এবং তাপসসহ কয়েকজন ব্যক্তি ওই জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেছিলেন। তবে আদালতের রায় যায় তমিজউদ্দীনদের পক্ষে। এর পরও সম্প্রতি রাতের আঁধারে কয়েক দফা জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়, যা স্থানীয়দের বাধায় ব্যর্থ হয়।
মঙ্গলবার সকালে আবারও একদল লোক নির্মাণাধীন মার্কেট দখলের চেষ্টা করলে আলমগীর হোসেন বাধা দেন। এ সময় তাঁকে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গেলে তাঁর ভাই ও স্বজনদের ওপরও হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীরকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শংকর তান বলেন, সকালে আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আলমগীর হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়, সেখানে তিনি মারা যান।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল মিয়া জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পর নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী ঢাকা–দোহার সড়ক অবরোধ করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au