পুরনো উইকিতে হাজারো এআই এজেন্টের গোপন যোগাযোগ
জার্মানির প্রায় ২৫ বছরের পুরনো একটি প্রোগ্রামিং উইকি হঠাৎ করেই হাজারো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের যোগাযোগকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। ২০২৬ সালের মে থেকে জুনের শেষ…
মেলবোর্ন, ৪ ফেব্রুয়ারি- শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। কমিশন জানায়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নির্বাচন স্থগিত করা ছাড়া বিকল্প কোনো সুযোগ নেই।
এর আগে মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে নুরুজ্জামান বাদল মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নুরুজ্জামান বাদল হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রাত ২টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর পর নির্বাচন স্থগিতের আইনি প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারা অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে স্বীকৃত হতে হবে।
আইন অনুযায়ী, প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেন। এরপর নির্বাচন কমিশন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ওই আসনের জন্য নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে।
তবে আরপিওতে কিছু ব্যতিক্রমের কথাও উল্লেখ রয়েছে। যদি কোনো প্রার্থী বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত ঘোষণার আগেই মারা যান, অথবা একই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী আগে থেকেই মনোনীত থাকে, সে ক্ষেত্রে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না। শেরপুর-৩ আসনের ক্ষেত্রে এসব ব্যতিক্রম প্রযোজ্য না হওয়ায় নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শেরপুর-৩ আসনের বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করে যথাসময়ে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে। এদিকে প্রার্থী মৃত্যুর খবরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au