চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ৫ ফেব্রুয়ারি- বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং নির্বাচনী বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের প্রগতিশীল ১১১ জন চিকিৎসক। এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তা প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক নয় এবং এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগসহ একাধিক প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে যে নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে, তা গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী। তাঁদের মতে, দেশের অর্ধেকেরও বেশি জনগণের সমর্থন পাওয়া রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রতীক যদি ব্যালট থেকে বাদ পড়ে, তাহলে সেই নির্বাচন কখনোই জনগণের প্রকৃত মতামত বা রায় প্রতিফলিত করতে পারে না।

চিকিৎসক সমাজের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন একতরফা নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক বিভাজন তৈরি করতে পারে। বিশাল জনগোষ্ঠীর মতামত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া আয়োজিত যে কোনো নির্বাচনই অসম্পূর্ণ এবং জনস্বার্থবিরোধী হয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করলেও বাস্তবে তাদের সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে, যা নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশের বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রেও সব রাজনৈতিক দলের মতামত ও সম্মতির প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
চিকিৎসকদের অভিযোগ, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নিয়োগ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সুপারিশে সম্পন্ন হয়েছে, যা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
এই প্রেক্ষাপটে প্রগতিশীল চিকিৎসক সমাজ মনে করে, বর্তমান প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে না; বরং দেশকে আরও গভীর অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে।
এ অবস্থায় দেশের গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষার স্বার্থে ১১১ জন চিকিৎসক তিনটি জোরালো দাবি ও আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, সব রাজনৈতিক দল ও মতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নতুন করে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি বর্তমান একপাক্ষিক ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সচেতন নাগরিকদের এই নির্বাচন বর্জনের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সংলাপ এবং সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক নির্বাচন সম্ভব। এমন একটি নির্বাচনই বাংলাদেশকে স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে পারে বলে মত দেন চিকিৎসকরা।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকবৃন্দ
(জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়)
১. ডাঃ মাহবুব রহমান
২. ডাঃ জাহাঙ্গীর
৩. ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত
৪. ডাঃ রোকেয়া সুলতানা
৫. ডাঃ ইসতিয়াক
৬.ডাঃ এনায়েত উল্লাহ
৭.ডাঃ মামুন আল মাহতাব
৮. ডাঃ নুঝহাত চৌধুরী
৯. ডাঃ জামাল উদ্দিন চৌধুরী
১০. ডাঃ রাজিবুল আলম
১১. ডাঃ হাবিব আহসান
১২. ডাঃ শাহাদাত হোসেন
১৩. ডাঃ এহসান
১৪. ডাঃ মাহফুজ হোসেন
১৫. ডাঃ আবদুল্লাহ মামুন
১৬. ডাঃ হাবিবুর রহমান
১৭. ডাঃ সুবাস বোস
১৮. ডাঃ আফজাল হোসেন
১৯. ডাঃ মোবারক হাসান
২০. ডাঃ মিজানুর রহমান
২১. ডাঃ তৌহিদ হাসান
২২. ডাঃ কাজল কান্তি
২৩. ডাঃ আমিনুল ইসলাম
২৪. ডাঃ মিনহাজ আহমেদ
২৫. ডাঃ আহমেদ মোরশেদ
২৬. ডাঃ নাজমুল হাসান
২৭. ডাঃ শহীদ উদ্দিন
২৮. ডাঃ পারভেজ হোসেন
২৯. ডাঃ হুমায়ুন কবির
৩০. ডাঃ আবু নাসের
৩১. ডাঃ নীলাঞ্জন
৩২. ডাঃ শামীম মামুন
৩৩. ডাঃ এ হায়াত
৩৪. ডাঃ মোস্তাক হোসেন
৩৫. ডাঃ এ আর আজাদ
৩৬. ডাঃ নবিউল হাসান
৩৭. ডাঃ মুহীদ হাসান
৩৮. ডাঃ সামির হাসান
৩৯. ডাঃ রউফ হায়দার
৪০. ডাঃ আল আমিন
৪১. ডাঃ নুর হোসেন
৪২. ডাঃ শাহারিয়র কবির
৪৩. ডাঃ মাসুদ হোসেন
৪৪. ডাঃ কামরুল ইসলাম
৪৫. ডাঃ শাহনেওয়াজ
৪৬. ডাঃ রাকিব হাসান
৪৭. ডাঃ ওয়াহিদুল ইসলাম
৪৮. ডাঃ মোঃ সোহেল রানা
৪৯. ডাঃ রফিকুল ইসলাম
৫০. ডাঃ মোঃ মাযাহার
৫১. ডাঃ মেহেদী মিরাজ
৫২. ডাঃ সিজার হাসান
৫৩. ডাঃ আহমেদ আলী
৫৪. ডাঃ জাহিদুর রহমান
৫৫. ডাঃ শাহ আলম
৫৬. ডাঃ প্রশান্ত কুমার
৫৭. ডাঃ জাকির হোসেন
৫৮. ডাঃ এম এ তাহের
৫৯. ডাঃ উত্তম কুমার বড়ুয়া
৬০. ডাঃ নিহার রঞ্জন
৬১. ডাঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম
৬২. ডাঃ আতিকুর রহমান
৬৩. ডাঃ নাইমুল ইসলাম
৬৪. ডাঃ মনোজ কুমার
৬৫. ডাঃ আবুল কালাম
৬৬. ডাঃ আবুল বাশার
৬৭. ডাঃ মামুনুর রহমান
৬৮. ডাঃ দেবাশীষ
৬৯. ডাঃ মোঃ আবু তাহের
৭০. ডাঃ আবু হেনা সংগীত
৭১. ডাঃ সাইদূর রহমান
৭২. ডাঃ কার্তিক চন্দ্র
৭৩. ডাঃ বঙ্গ কামাল
৭৪. ডাঃ মিরাজুল আমিন
৭৫. ডাঃ দিপ্ত সাহা
৭৬. ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না
৭৭. ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার
৭৮. ডাঃ মাসফিক মাহবুব
৭৯. ডাঃ মিজানুর রহমান
৮০. ডাঃ সৈকত রায়
৮১. ডাঃ শরীফুল সাগর
৮২. ডাঃ আক্তারুজ্জামান
৮৩. ডাঃ পিযূষ
৮৪. ডাঃ এম এ আজিজ
৮৫. ডাঃ তাপস কুমার
৮৬. ডাঃ লেহাজ
৮৭. ডাঃ সাবরিনা
৮৮. ডাঃ অসীম কুমার
৮৯. ডাঃ ফজলে আহমেদ
৯০. ডাঃ মাহফুজ নয়ন
৯১. ডাঃ রোকসানা খাঁন
৯২. ডাঃ রুহুল আমিন
৯৩. ডাঃ শাওন শাহরিয়ার
৯৪. ডাঃ সত্তার সরকার
৯৫. ডাঃ মোঃ শাহদাত হোসেন
৯৬. ডাঃ শেখ আবদুল্লাহ
৯৭. ডাঃ সজিব পাল
৯৮. ডাঃ আতিকুজ্জামান ফিলিপ
৯৯. ডাঃ নূর হোসেন শাহীন
১০০. ডাঃ হেলাল উদ্দিন
১০১. ডাঃ আলী আসগর
১০২. ডাঃ নাজমুল ইসলাম
১০৩. ডাঃ গাজী তুহিন
১০৪. ডাঃ মতিউর রহমান
১০৫. ডাঃ হুমায়ুন ইসলাম
১০৬. ডাঃ জাকিউল ইসলাম
১০৭. ডাঃ তোফাজ্জেল হক চয়ন
১০৮. ডাঃ আবুল হাসনাত মিল্টন
১০৯. ডাঃ কামরুল ইসলাম
১১০. ডাঃ আফম রুহুল হক
১১১.ডাঃ অমি রহমান পিয়াল
বিবৃতিটি স্বাক্ষর করেছে প্রগতিশীল চিকিৎসক সমাজ, বাংলাদেশ।
যৌথ বিবৃতি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au