মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ৭ ফেব্রুয়ারি- দিনাজপুর জেলা কারাগারে ‘অসুস্থ অবস্থায়’ সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু হয়েছে। কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। মৃত্যুকালে রমেশ চন্দ্র সেনের বয়স ছিল ৮৩ বছর।
শনিবার সকাল ৯টা ২৯ মিনিটে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এর কিছুক্ষণ আগে সকাল ৯টা ১০ মিনিটে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে দিনাজপুর জেলা কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কারা ককর্তৃপক্ষ। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
দিনাজপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে হঠাৎ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। তবে স্বজনদের অভিযোগ, তিনি আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন এবং সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা পেলে এমন পরিণতি নাও হতে পারত।
কারাগার সূত্র জানায়, গত ১৬ আগস্ট ঠাকুরগাঁও থানার পুলিশ তাঁকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠায়। পরদিন ১৭ আগস্ট তাঁকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তিনি হত্যা মামলাসহ মোট তিনটি মামলায় কারাবন্দি ছিলেন।
দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার ফরহাদ সরকার রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
রমেশ চন্দ্র সেন ১৯৪০ সালের ৩০ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের কশালগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ক্ষিতীন্দ্র মোহন সেন এবং মা বালাশ্বরী সেন। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে পড়াশোনা করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।
কারাগারে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কিনা, সে বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক অঙ্গন ও তাঁর অনুসারীদের মধ্যে এ ঘটনা নতুন করে কারাবন্দিদের চিকিৎসা ও মানবিক অধিকার নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au