সারাদেশে বজ্রপাতে ১৪ জন মারা গেছেন
মেলবোর্ন, ২৭ এপ্রিল- দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের সাত জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে একদিনে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে পৃথক…
মেলবোর্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারি- ডিজিটাল যুগে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছেলেমেয়েদের বড় করে তোলার কাজের ধরনও পালটে গেছে। ঘর থেকে বাইরে বের হলেই পাপারাজ্জিরা ঘিরে ধরেন। চারদিকে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, পোজ দেওয়ার আবদার। আর তাই তারকাদের একসঙ্গে অনেক কিছু সামাল দিতে হয়। একদিকে পেশাগত জীবন—ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিশ্রম করতে হয়, অন্যদিকে নিজের সুস্থতার সঙ্গে সন্তানদের দেকভাল বলে জানিয়েছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর।
প্রতিদিনের এই রোজনামচার মধ্যে পর্দার নায়ক-নায়িকাদের বাবা-মা হওয়ার দায়িত্বও পালন করতে হয়।। হাজার কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও আর পাঁচটা বাবা-মায়ের মতো তারাও তাদের সন্তানকে মানুষ করার লক্ষ্যে নীরবে দায়িত্ব পালন করে চলেন। শুধু দায়িত্ব পালন করাই নয়, এ কাজে তারাও সফল হন।
যেমন পতৌদি পরিবারের নবাব সাইফ আলি খান। অভিনেতা যেভাবে নিজের ছেলেমেয়েদের বড় করে তুলছেন, তা দেখে অভিভূত অভিনেত্রী মা শর্মিলা ঠাকুরও। ছেলে সাইফ সম্পর্কে এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বলেন, অভিভাবক হিসেবে সাইফ অসাধারণ! সম্প্রতি মেয়ে সোহা আলি খানের ‘অল অ্যাবাউট হার’ শীর্ষক পডকাস্টে গিয়ে এমন কথাই বলেন শর্মিলা ঠাকুর। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নাতনি সারা আলি খানও।
এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী বলেন, সাইফ ও সোহাকে বড় করে তোলার কাজে সাধারণত পরিবারের প্রবীণদের পরামর্শ নিতেন। কিন্তু এখনকার বাবা-মায়েরা এসব ব্যাপারে কথা বলেন বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে। বই-টইও পড়েন তারা। সাইফ-সোহাও যেভাবে এখন এ দায়িত্ব পালন করছেন, তা দেখে তিনি নিজেও শেখেন বলেই জানান শর্মিলা ঠাকুর।
তিনি বলেন, সাইফ পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল। কোনো দিন কোনো গাফিলতি দেখতে তার চোখে পড়েনি। এ অভিনেত্রী বলেন, সাইফ একজন অসাধারণ অভিভাবক। সারার সঙ্গে ওকে আমি অনেক কাছ থেকে দেখেছি। রাতে সিনেমার প্রিমিয়ারে গেলেও সারার পড়াশোনায় কখনো ব্যাঘাত ঘটেনি। বাড়ি ফিরে সে নিয়মিত হোমওয়ার্ক নিয়ে বসত।
ছেলেমেয়েদের বড় করে তোলার কাজে নিখুঁত হওয়া জরুরি নয় বলেও জানিয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর। তিনি বলেন, বরং তাদের নিজের মতো করেই বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দিতে হবে বলে মনে করেন। সাইফকে দেখেই তার এ উপলব্ধি হয়েছে বলে জানিয়ে শর্মিলা ঠাকুর বলেন, একবার বড়দিনে ক্রিসমাস ট্রি লাগাচ্ছিলাম। ছোট্ট ইব্রাহিমও (সাইফের ছেলে) আমার সঙ্গে ছিল। ও গাছ সাজানোর জিনিসগুলোকে এদিক-ওদিক ছড়িয়ে দিচ্ছিল। সাধারণত বাবা-মায়েরা এমনটা দেখলে ভীষণ বকাবকি করেন। বাচ্চাদের শাসন করেন। কিন্তু সেটা দেখে সাইফ ওকে বলল—দাও, আমায় দাও। দেখ কীভাবে করতে হয়।
শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ছোট্ট তৈমুর ও জাহাঙ্গীরের সঙ্গেও সাইফ একই রকম আন্তরিক এবং প্রাণবন্ত। গত বছর সাইফের ওপর হামলার ঘটনার পরও সে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে একই রকম প্রাণবন্ত ছিল। কোনোভাবেই সন্তানদের মনে এ ঘটনার প্রভাব পড়তে দেয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au