আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ১৮ ফেব্রুয়ারি- বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–কে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।

তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদী। ছবিঃ বিবিসি
চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের জন্য তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জয়ের মাধ্যমে জনগণ তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটিয়েছে। দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তুলে ধরেছেন, জনগণের সমর্থন তারই প্রতিফলন। নতুন দায়িত্ব পালনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ঢাকায় তারেক রহমানের হাতে ভারত সরকারের শোকবার্তা তুলে দেন এস জয়শঙ্কর। ছবিঃ সংগৃহীত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দুই দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের মধ্যে সমন্বয় ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চিঠিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন খাতের কথা তুলে ধরা হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগ—এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি আরও বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল দুই অর্থনীতি হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের স্থিতিশীল উন্নয়নের অনুঘটক হতে পারে এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ করতে পারে।

তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রণয় ভার্মা। ছবিঃ সংগৃহীত
এ ছাড়া চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেন, সুবিধাজনক সময়ে তিনি যেন সফরে আসেন। পাশাপাশি ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকেও সঙ্গে নিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। ভারত তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনার অপেক্ষায় রয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দিনেই ভারতের পক্ষ থেকে এমন বার্তা এবং আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আগামী দিনগুলোতে উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au