জয়পুরহাটে ধান কাটা নিয়ে তর্কের জেরে দিনমজুরকে হত্যা
মেলবোর্ন, ৭ জুন- জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ধান কাটা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জেরে শ্যামল চন্দ্র মালী (৫০) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার কাশিড়া…
মেলবোর্ন ২৪ ফেব্রুয়ারি-নর্থ জোনের কোচ হান্নান সরকার আগেই বলেছিলেন, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে ৩০০ রানের ইনিংস দেখা সম্ভব। টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই সেই কথার প্রমাণ মিলল।
ইস্ট জোনের বিপক্ষে আকবর আলীর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভার ব্যাট করে ৩৩৫ রান তোলে নর্থ জোন। বড় সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইস্ট জোন গুটিয়ে যায় ২৮১ রানে।
৫৪ রানের এই জয়ে লিটন-শান্ত-আকবরদের নিয়ে গড়া নর্থ জোনের টুর্নামেন্ট শুরু হল দাপটের সঙ্গে।
নর্থ জোন এমনিতেই জাতীয় দলের তারকায় ঠাসা। দলে ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানার মতো তারকারা। তবে তারকাদের ভিড়েও আলো কেড়ে নিলেন আকবর আলী।
আকবর যখন উইকেটে নামেন, তখন ১১৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে নর্থ জোন। এর আগে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন মিলে ৮২ রানের জুটি গড়েন। ৪৪ বলে ৫৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তানজিদ। এরপর লিটন ও তাওহীদ দ্রুত বিদয়া নেন।
পঞ্চম উইকেটে নাজমুল শান্তর সঙ্গে আকবর আলী মিলে গড়েন ১২০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৬৮ রানের ইনিংস খেলে আউট হন শান্ত। এরপর ইনিংসের প্রায় শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে ছুঁয়েছেন সেঞ্চুরি। ৮৭ বলে ৬ ছক্কা আর ৮ চারে ১১১ রান করেছেন তিনি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে আকবরের এটি প্রথম সেঞ্চুরি।
৯৩ তম ম্যাচ খেলতে নেমে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। এর আগে তার সর্বোচ্চ রান ছিল অপরাজিত ৮৯ রানের ইনিংস।
দলকে ৩০০ রানে পৌঁছে দেওয়ার পর আউট হন আকবর। এরপর আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও শরীফুলের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৩৩৫ রানের সংগহে পৌঁছে যায় লিটন-শান্তরা।
ইষ্ট জোনের বোলার সাইফউদ্দিনের উপর সবচেয়ে বড় ঝড়টি যায়। ১০ ওভার বল করে ৯৮ খরচায় তিনি শিকার করেন দুটি উইকেট। তবে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন খালেদ আহমেদ। ৫২ রানে তার শিকার চারটি উইকেট।
নর্থ জোনের দেওয়া ৩২৬ রানের বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় জাকির হাসানকে(৮)। বড় লক্ষ্যের বিপরীতে খেলতে নেমে যেভাবে শুরুর প্রয়োজন ছিল, সেভাবে শুরু করতে পারেনি পারভেজ-শামীমদের নিয়ে গড়া ইষ্ট জোন।
বলার মতো বড় জুটি কেউই করতে পারেননি ইষ্ট জোনের ব্যাটাররা। কেবলমাত্র মুমিনুল হকই ছিলেন আলাদা। এক প্রান্তে দাঁড়িয়েই তিনিই কেবল লড়াই করে গেছেন। কিন্তু যোগ্য সঙ্গীর ওভাবে ৩৩৬ রানের পাহাড়ে চড়া সম্ভব হয়নি। অষ্টম উইকেট হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৮২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান এই ক্রিকেটার। তার ব্যাটে চড়েই নর্থ জোন কোনমতে ২৮৭ রান করতে পারে।
মুমিনুল ছাড়াও নাঈম হাসান খেলেন ৩৬ বলে- রানের ইনিংস। এর বাইরে ইয়াসির আলী রাব্বি (৪২) ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রানের ইনিংস।
নর্থ জোনের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ৫৭ রানে নেন চারটি উইকেট। এছাড়া শেখ মেহরাব হোসেন ও নাহিদ রানা প্রত্যেকে নেন দুটি করে উইকেট।
অপরদিকে রাজশাহীতে নির্ধারিত ওভার শেষে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রান তোলে মধ্যাঞ্চল। জবাবে আফিফ হোসেনের সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় দক্ষিণাঞ্চল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au