মহানবীকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ২২ এপ্রিল- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তির অভিযোগে শ্যামল গাইন (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার…
মেলবোর্ন, ১৩ মার্চ- বিদ্যুতের মাত্র ২০ হাজার টাকা বকেয়া বিল পরিশোধ করতে না পারায় প্রায় তিন মাস কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন সিলেটের এক চা বাগান শ্রমিক মঙ্গল দাস। বৃহস্পতিবার সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। তার বাড়ি সিলেটের বিমানবন্দর এলাকার কেওয়াছড়া চা বাগানে। তিনি ওই বাগানের বাসিন্দা বিরশা দাসের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুতের বকেয়া বিল পরিশোধ করতে না পারায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর সিলেটের বিদ্যুৎ আদালত মঙ্গল দাসকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের কারণে ওই বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি তিনি।
এদিকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে যান সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। কারাগার পরিদর্শনের সময় মঙ্গল দাসের সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় মঙ্গল দাস তার আর্থিক দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন এবং মাত্র ২০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় তাকে কারাগারে থাকতে হচ্ছে বলে জানান।
বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেন এবং মঙ্গল দাসকে আইনি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মঙ্গল দাসের জামিনের বিষয়ে উদ্যোগ নেন।
পরবর্তীতে বিদ্যুৎ আদালতে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের নিশ্চয়তা দেওয়া হলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। সিলেটের বিদ্যুৎ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন, সেই নিশ্চয়তার ভিত্তিতে মঙ্গল দাসকে জামিন প্রদান করেন।
জামিনের আদেশ কার্যকর হওয়ার পর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান মঙ্গল দাস। দীর্ঘদিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গল দাস একটি চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের সদস্য। সীমিত আয়ের কারণে বিদ্যুতের বকেয়া বিল পরিশোধ করতে না পেরে তিনি আইনি জটিলতায় পড়েন। ফলে মাত্র ২০ হাজার টাকার বকেয়া বিলের কারণে তাকে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়।
মুক্তির পর স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের মানবিক বিষয়গুলো ভবিষ্যতে আরও সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং দরিদ্র মানুষের জন্য আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তারা বলেন, আর্থিক সংকটে থাকা মানুষদের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশাসনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au