বাংলাদেশ

জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির রাজনীতি কি আবার ফিরিয়ে আনল বিএনপি

  • 9:28 pm - March 16, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৮ বার
জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির রাজনীতি আবার ফিরিয়ে আনল বিএনপি। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- বাংলাদেশের রাজনীতিতে উন্নয়নমূলক কর্মসূচিকে রাজনৈতিক দর্শনের অংশ হিসেবে ব্যবহারের ইতিহাস খুব বেশি পুরোনো নয়। তবে স্বাধীনতার পর দেশের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজকে নতুনভাবে সংগঠিত করার যে উদ্যোগগুলোর কথা আলোচনায় আসে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি। সত্তরের দশকের শেষ দিকে শুরু হওয়া সেই কর্মসূচি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প ছিল না, বরং তা ছিল একটি রাজনৈতিক ধারণা, যেখানে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন, স্বনির্ভরতা এবং জনগণের অংশগ্রহণকে একসঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল।

দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পর আবারও সেই কর্মসূচির পুনরাবৃত্তির মতো একটি উদ্যোগ সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি দেশব্যাপী নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছেন। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খনন বা পুনঃখনন করা হবে। প্রথম ধাপে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পর আবারও সেই কর্মসূচির পুনরাবৃত্তির মতো একটি উদ্যোগ সামনে এসেছে। ছবিঃ সংগৃহীত

এই উদ্যোগকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এটি কেবল পানি ব্যবস্থাপনা বা কৃষি উন্নয়নের একটি প্রকল্প নয়, বরং জিয়াউর রহমানের সময়কার উন্নয়ন রাজনীতির ধারাবাহিকতাকে আবার সামনে আনার একটি রাজনৈতিক কৌশল। প্রশ্ন উঠেছে, খাল খননের এই উদ্যোগ কি সত্যিই একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা, নাকি এটি একই সঙ্গে একটি রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের পুনরুজ্জীবন।

জিয়াউর রহমানের সময়ের খাল খনন কর্মসূচি

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশের কৃষি ব্যবস্থা নানা সংকটে পড়েছিল। নদী ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অনেক এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। সেই প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচিকে জাতীয় পর্যায়ের একটি উন্নয়ন কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করেন।

১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী এলাকায় একটি খাল খনন প্রকল্প উদ্বোধনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। পরবর্তী সময়ে এটি দেশব্যাপী একটি আন্দোলনে পরিণত হয়। তখন এই কর্মসূচিকে ‘সবুজ বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।

১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সালের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল বা প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হয়। প্রায় ১ হাজার ৫০০টির বেশি খাল পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। এর ফলে প্রায় ১৬ লাখ একর জমি নতুন করে সেচের আওতায় আসে। কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য ঘাটতি কমতে শুরু করে।

১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী এলাকায় একটি খাল খনন প্রকল্প উদ্বোধনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা হয়। ছবিঃ সংগৃহীত

তৎকালীন সময়ের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ধান উৎপাদন ছিল প্রায় এক কোটি টনের কাছাকাছি। খাল খনন কর্মসূচি ও উন্নত বীজ ব্যবহারের ফলে উৎপাদন দ্রুত বাড়তে থাকে। এমনকি আশির দশকের শুরুতে বাংলাদেশ থেকে সীমিত পরিমাণ চাল রপ্তানিও সম্ভব হয়েছিল।

এই কর্মসূচি কেবল কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করেনি, বরং গ্রামীণ সমাজে এক ধরনের অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল তৈরি করেছিল। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ সরাসরি এই কাজে অংশ নিত। ফলে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, অন্যদিকে স্থানীয় জনগণের মধ্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহও তৈরি হয়েছিল।

জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল জনসম্পৃক্ততা। তিনি নিজে কোদাল হাতে নিয়ে খাল খননের কাজে অংশ নিতেন। সেই সময়কার সংবাদপত্রে প্রায়ই দেখা যেত, রাষ্ট্রপতি মাঠে নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন।

এই প্রতীকী উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল যে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রামাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে সরাসরি কাজ করছে।

এ সময় তিনি ‘গ্রাম সরকার’ ধারণাও সামনে আনেন। এর উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে শক্তিশালী করা। খাল খনন কর্মসূচি সেই ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কৌশল হিসেবে কাজ করেছিল।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ধীরে ধীরে কমে যায়। ছবিঃ সংগৃহীত

কেন বন্ধ হয়ে গেল সেই কর্মসূচি

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ধীরে ধীরে কমে যায়। পরবর্তী সরকারগুলো বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে নদী বা খাল খননের উদ্যোগ নিলেও এটিকে আর জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখা যায়নি।

ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক খাল ভরাট হয়ে যায় বা দখলের শিকার হয়। নদী ও খালের নাব্যতা কমে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে কয়েক হাজার খাল চিহ্নিত থাকলেও অনেকগুলো এখন কার্যত মৃত অবস্থায় রয়েছে। দখল, দূষণ এবং অব্যবস্থাপনার কারণে নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে।

একই সঙ্গে দেশের নৌপথও কমে গেছে। স্বাধীনতার আগে যেখানে প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল, বর্তমানে তা কমে কয়েক হাজার কিলোমিটারে নেমে এসেছে।

বর্তমান উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বর্তমান সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি অনেক দিক থেকে জিয়াউর রহমানের সময়কার কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন বা পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় ৬৩টি খালের কাজ শুরু হয়েছে।

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবিঃ সংগৃহীত

এই কর্মসূচির মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে।

এছাড়া খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো।

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট

বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি।

খরা, বন্যা, লবণাক্ততা এবং পানির সংকট দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব এবং বর্ষাকালে বন্যা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাল ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা গেলে এই সমস্যাগুলোর অনেকটাই কমানো সম্ভব। খালগুলো বর্ষার পানি ধরে রাখতে সাহায্য করবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেই পানি কৃষিকাজে ব্যবহার করা যাবে।

ভরাট হওয়া চট্টগ্রামের ‘রাউজান খাল’ । ছবিঃ সংগৃহীত

দখল ও দূষণের চ্যালেঞ্জ

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু খনন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। খাল ও নদীকে দখলমুক্ত রাখা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে কয়েক হাজার নদী ও খাল অবৈধ দখলের শিকার। বিভিন্ন বিভাগে হাজার হাজার দখলদারের তালিকা রয়েছে। দখল উচ্ছেদের পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত না করা গেলে খাল খননের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্ভাবনা

খাল খনন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে।

খালের পানিতে মাছ চাষ, হাঁস পালন এবং কৃষি সেচের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে খাল খননের সময় স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।

সরকারি সূত্র বলছে, এই প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির তহবিল থেকে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খাল খনন কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপির রাজনীতিতে জিয়াউর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তার উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলো দলটির রাজনৈতিক পরিচয়ের অংশ হয়ে আছে।

নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার মাধ্যমে সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে আবার সামনে আনা হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক।

খাল খনন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে। ছবিঃ সংগৃহীত

বাস্তবায়নের প্রশ্ন

তবে এই কর্মসূচি কতটা সফল হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর। অতীতে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল দেয়নি। এই কর্মসূচির ক্ষেত্রেও একই ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদী, খাল ও জলাধার এই দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি একসময় দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল। বর্তমানে আবার সেই ধরনের একটি কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এটি সফল হলে কৃষি, পরিবেশ এবং পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে এই উদ্যোগ শুধু রাজনৈতিক প্রতীক হয়ে থাকবে, নাকি সত্যিই একটি টেকসই উন্নয়ন মডেলে পরিণত হবে, তা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর।

এই শাখার আরও খবর

স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল, পরীক্ষার ভিত্তিতে ভর্তি চালুর সিদ্ধান্ত

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- দেশের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা লটারি পদ্ধতি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক…

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম, ইউজিসির চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। একই সঙ্গে বাংলাদেশ…

খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাবেক ছাত্রদল নেতা নিহত

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- খুলনা মহানগরীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে রাশিকুল আনাম রাশু (৩৬) নামে এক সাবেক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দৌলতপুর…

মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর চিঠি

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারবিষয়ক কয়েকটি সংগঠন। চিঠিতে তারা…

লেবাননের দক্ষিণে স্থল অভিযানের ঘোষণা ইসরায়েলের, সংঘাতে নিহত অন্তত ৮৫০

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। আলজাজিরার সরাসরি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ৯১তম ব্রিগেড তাদের ঘোষিত ‘ফরোয়ার্ড ডিফেন্স…

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মেলবোর্ন, ১৬ মার্চ- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au