‘জুলাই আদেশ’ সংবিধানের ওপর প্রতারণা: আইনমন্ত্রী
মেলবোর্ন, ১ এপ্রিল- ‘জুলাই আদেশ’কে আইনি ভিত্তিহীন এবং সংবিধানের ওপর প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, এটি মূলত একটি ‘কালারেবল লেজিসলেশন’, যার মাধ্যমে সংবিধানে…
মেলবোর্ন, ৩১ মার্চ- ভারতের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দেশটিতে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে বলে দাবি করেছে। এই ঘটনায় পাকিস্তানি চরমপন্থি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বের আট সদস্যকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি। ভারতের সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাব্বির আহমেদ লোনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শাব্বির বাংলাদেশে পালিয়ে ছিলেন।
দুই মাস ধরে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশ সীমান্ত, কলকাতা, দিল্লি এবং তামিলনাড়ু থেকে এই গ্রেপ্তার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে সাতজন বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। তারা হলেন— বগুড়ার মিজানুর রহমান (৩২), জাহিদুল ইসলাম (৪০), মোহাম্মদ লিটন (৪০), মোহাম্মদ উজ্জ্বল (২৭), উমর ফারুক (৩২), ঝালকাঠির মো. শাফায়েত হোসাইন (৩৪) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল ইসলাম (২৭)।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের অবস্থান থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ২৫টি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, পাঁচটি পয়েন্ট অব সেল (পজ) মেশিন, বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং কিছু পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে।
শাব্বির আহমেদ লোন কাশ্মীরের শ্রীনগরের বাসিন্দা। ২০০৭ সালে একে-৪৭ রাইফেল ও গ্রেনেডসহ গ্রেপ্তার হওয়া শাব্বির ২০১৮ পর্যন্ত তিহার কারাগারে বন্দি ছিলেন। পুলিশ জানায়, শাব্বির পরে বাংলাদেশে পালিয়ে যান এবং নেপাল সীমান্ত হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, শাব্বির ঢাকার কাছের একটি আস্তানা থেকে লস্করের একটি সেল পরিচালনা করছিলেন।
ভারতের পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্র ভারতে একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে তাদের পরিকল্পনা সময়মতো ব্যর্থ করা হয়েছে এবং হামলা নস্যাৎ হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au