‘জুলাই আদেশ’ সংবিধানের ওপর প্রতারণা: আইনমন্ত্রী
মেলবোর্ন, ১ এপ্রিল- ‘জুলাই আদেশ’কে আইনি ভিত্তিহীন এবং সংবিধানের ওপর প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, এটি মূলত একটি ‘কালারেবল লেজিসলেশন’, যার মাধ্যমে সংবিধানে…
মেলবোর্ন, ০১ এপ্রিল- ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান রেখে একটি বিতর্কিত আইন পাস করেছে ইসরায়েলর পার্লামেন্ট নেসেট। সোমবার পাস হওয়া এই আইন নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।
নতুন আইনে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য আলাদা কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে অধিকৃত পশ্চিম তীর অঞ্চলে সামরিক আদালতে বিচারাধীন ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যত পূর্বনির্ধারিত শাস্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ফিলিস্তিনি আইনি সংস্থা আদালাহ-এর লিগ্যাল ডিরেক্টর সুহাদ বিশারা এক বিবৃতিতে বলেন, এই আইন রাষ্ট্র-সমর্থিত হত্যাকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে এবং এটি পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করছে, যা সমতা ও বৈষম্যবিরোধী নীতির পরিপন্থী।
অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েশন ফর সিভিল রাইটস ইন ইসরায়েলও আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বলেছে, পশ্চিম তীরের জন্য আইন প্রণয়নের এখতিয়ার নেসেটের নেই এবং এটি সংবিধান ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। সংগঠনটির মতে, আইনটি মানবাধিকার, ন্যায্য বিচার ও মানব মর্যাদার মৌলিক নীতিকে লঙ্ঘন করে।
আইনটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে গোপনীয়তার বিধান রাখা হয়েছে এবং দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখার কথা বলা হয়েছে, যা নিয়ে মানবাধিকারকর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো দখলদার শক্তি সাধারণত অধিকৃত অঞ্চলে নিজের অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগ করতে পারে না। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে পশ্চিম তীর অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে অধিকৃত হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আইন পাসের মাধ্যমে পশ্চিম তীরের ওপর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অঞ্চলটির রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সুত্রঃ মিডল ইস্ট আইয়
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au