আগামীকাল হংকংয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের নারীরা
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- নারী এশিয়ান গেমস বাছাই পর্বে গ্রুপের শেষ ম্যাচকে সামনে রেখে দারুণ আত্মবিশ্বাসে আছে বাংলাদেশ নারী হকি দল। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা-এ অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচে আগামীকাল…
মেলবোর্ন, ২৫ এপ্রিল- চট্টগ্রামে সরকারি প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার একটি হোটেলের পাশের ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ।
নিহত বুলেট বৈরাগী (৩৫) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামে চলমান ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুলেট বৈরাগী গত ১১ এপ্রিল প্রশিক্ষণের জন্য চট্টগ্রামে যান। প্রশিক্ষণ শেষ করে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চট্টগ্রামের অলংকার মোড় থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে রওনা হন তিনি। যাত্রাপথে পরিবারের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কথা হয়।
সর্বশেষ রাত আনুমানিক ২টা ২৫ মিনিটে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানান, তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছেছেন। এর কিছু সময় পর থেকেই তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। একাধিকবার ফোন করা হলেও মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।
দীর্ঘ সময় ধরে তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে শনিবার সকালে তার বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এরই মধ্যে শনিবার সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া একটি কলের ভিত্তিতে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ কোটবাড়ি এলাকার আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশে ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুপুরের দিকে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় শরীরে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মুখমণ্ডলে আঘাতজনিত রক্তের দাগ ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।
অন্যদিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, নিখোঁজের বিষয়ে আগে থেকেই একটি জিডি ছিল। মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনরা শনাক্ত করেছেন। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় এবং পরিবারের মধ্যে শোক ও উদ্বেগের পাশাপাশি নানা প্রশ্নও তৈরি হয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শেষে ফেরার পথে এভাবে মৃত্যুর বিষয়টি কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au