শ্রীলঙ্কাকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ৫ মে- আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বার্ষিক হালনাগাদের পর এই উন্নতি পেয়েছে টাইগাররা। র্যাঙ্কিং…
শ্যামল সান্যাল,ঢাকা
মেলবোর্ন, ৫ মে- বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইন লঙ্ঘন করে রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন কীভাবে এখনও অ্যাডভোকেটদের রোলে বহাল রয়েছেন,তা তদন্ত করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এই নোটিশ পাঠানো হয়।
সোমবার মে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীএ ওয়াই মশিউজ্জামান এই নোটিশ প্রেরণ করেন।
নোটিশে বলা হয়েছে,বার কাউন্সিলের ১৯৭২ সালের আদেশের অনুচ্ছেদ৩২(১) অনুযায়ী, কোনও অ্যাডভোকেট পেশাগত বা অন্যান্য অসদাচরণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে তিরস্কার, স্থগিত বা প্র্যাকটিস থেকে অপসারণ করা যেতে পারে। ১৯৭২ সালের বিধিমালার ধারা ৫০অনুযায়ী,বার কাউন্সিল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কোনও
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করতে পারে এবং সেক্ষেত্রে অধ্যায় ৪-এর বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে।
ধারা৭০ অনুযায়ী,কোনও অ্যাডভোকেট ব্যবসা বা অন্য কোনও পেশায় যোগদানের উদ্দেশ্যে তার প্র্যাকটিস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে চাইলে সনদ স্থগিত করার আবেদন করতে পারেন এবং পরবর্তীকালে তা প্রত্যাহারের আবেদনও করতে পারেন। প্রয়োজনে তিনি তার নাম সম্পূর্ণভাবে রোল থেকে অপসারণের আবেদনও করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে জানতে বার কাউন্সিলে আবেদন করেছিলাম। গত ৩১মার্চ বার কাউন্সিল আমাকে জানায় যে,উক্ত অ্যাডভোকেট এখন পর্যন্ত তার লাইসেন্স স্থগিত করার জন্য কোনও আবেদন করেননি।
তিনি ২৪এপ্রিল২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন,যা সংবিধানের তৃতীয় তফসিল (অনুচ্ছেদ১৪৮) অনুযায়ী সম্পাদিত হয়। উক্ত শপথে তিনি আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন, সংবিধান রক্ষা এবং সবার প্রতি ন্যায়বিচার করার অঙ্গীকার করেন।আইনের শাসন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিসহ কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। জনগণের মৌলিক প্রত্যাশা হলো রাষ্ট্রপতি সংবিধানওআইন মেনে দায়িত্ব পালন করবেন।এই বিশ্বাস ভঙ্গ হলে রাষ্ট্রীয় বৈধতাও জবাবদিহি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও দায়িত্বকালীন কিছু দায়মুক্তি থাকতে পারে,তা ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডে প্রযোজ্য নয়।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে,মো. সাহাবুদ্দিনের উচিত ছিল রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের আগে ধারা ৭০ অনুযায়ী তার প্র্যাকটিস স্থগিতের আবেদন করা। তা না করায় তিনি ওই আইন ওবিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়।ফলে তার শপথ এবং তার পরবর্তী কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং আইনগতভাবে অকার্যকর বলে বিবেচিত হতে পারে। পাশাপাশি,বার কাউন্সিল নিজেও তার নিয়ন্ত্রক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
নোটিশ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করতে নোটিশে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au