শ্রীলঙ্কাকে হটিয়ে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে বাংলাদেশ
মেলবোর্ন, ৫ মে- আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বার্ষিক হালনাগাদের পর এই উন্নতি পেয়েছে টাইগাররা। র্যাঙ্কিং…
মেলবোর্ন, ৫ মে- পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ফলতা থেকে কৃষ্ণনগর, এমনকি প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্ন পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যার মধ্যে ভাঙচুর, দখল এবং পাল্টা নির্দেশ জারি-সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই কার্যালয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির শেখ বসতেন। মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে পুরো অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় বলে দাবি তৃণমূলের। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে নদিয়ার কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার ভাতজাংলা গ্রাম পঞ্চায়েতেও উত্তেজনা দেখা যায়। সেখানে পঞ্চায়েত দখলের পর বিশ্ববাংলা লোগো খুলে ফেলে তা জাতীয় সড়কের পাশে ফেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে সেখানে নরেন্দ্র মোদী–র ছবি ও দলীয় পতাকা টাঙানোর ঘটনাও সামনে এসেছে।
রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র নবান্ন-এর ভিতরেও পরিবর্তনের ছাপ দেখা গেছে। মঙ্গলবার সকালে সেখানে কিছু সরকারি কর্মচারীকে ‘জয় শ্রীরাম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে দেখা যায়, যা রাজনৈতিক পালাবদলের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিরোধী দলের বুথ, পার্টি অফিস বা সাইনবোর্ড দখল করা যাবে না। পাশাপাশি অটো-টোটো স্ট্যান্ড বা বাজার দখলের মতো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে কর্মী-সমর্থকদের। এমনকি বিজয় মিছিল না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, এবং এই নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পরপরই এই ধরনের ঘটনাবলি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। যদিও রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অবস্থান থেকে ব্যাখ্যা দিচ্ছে, তবুও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং প্রশাসনের ওপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চাপ বাড়ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au