বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির নতুন সভাপতি হলেন তামিম
মেলবোর্ন, ৮ জুন- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে…
মেলবোর্ন, ১৭ মে- ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ইরাকের তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। দেশটির নতুন তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক মাত্র এক কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, যেখানে যুদ্ধ শুরুর আগে মাসিক রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল।
শনিবার বাগদাদে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির অস্থিরতার কারণে শুধু ইরাক নয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও পড়েছে এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
তেলমন্ত্রী বলেন, “হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি এখন খুবই সীমিত হয়ে গেছে।” বর্তমানে ইরাক প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে বলেও জানান তিনি।
সংকট মোকাবিলায় বিকল্প রপ্তানি পথ হিসেবে কিরকুক-জেইহান পাইপলাইনের ওপর জোর দিচ্ছে বাগদাদ। মার্চ মাসে ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার ও কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সমঝোতার পর পাইপলাইনটি পুনরায় চালু করা হয়।
বাসিম মোহাম্মদ জানান, বর্তমানে তুরস্কের জেইহান বন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পরিমাণ বাড়িয়ে দৈনিক ৫ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, তেল ও গ্যাস খাত উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বড় জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে শেভরন, এক্সনমোবিল ও হ্যালিবার্টনের মতো বহুজাতিক কোম্পানি। দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন হলে ইরাক বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা পাবে বলে আশা করছে সরকার।
একই সঙ্গে তেল উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ওপেকের সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরাক। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করা।
তেলমন্ত্রী বলেন, “ওপেকের সঙ্গে আমাদের সংলাপ চলছে। রপ্তানি বাড়ানো এবং উৎপাদনসীমা শিথিল হলে ইরাক বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে।”
তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরাকের ওপেক বা ওপেক প্লাস জোট ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। দেশটির কর্মকর্তাদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীল ও গ্রহণযোগ্য তেলের দাম বজায় রাখতে শক্তিশালী ওপেক এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au