বিশ্ব

চীনকে দূরে ঠেলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি পাকিস্তান: ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ক কতটা গভীর

  • 10:57 pm - May 18, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২৩ বার
১১ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে করমর্দন করছেন। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৮ মে- ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় পাকিস্তানের অবস্থান সব সময়ই পরিবর্তনশীল এবং বহুস্তরীয়। একদিকে চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারত্ব, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক। এই দুই শক্তির মাঝখানে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান বহু বছর ধরে নিজের অবস্থানকে ভারসাম্য করার চেষ্টা করে এসেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, তা শুধু কূটনৈতিক সমন্বয়ের পরিবর্তন নয়, বরং এক ধরনের কাঠামোগত পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক যেভাবে নতুনভাবে ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠছে, তা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে বিস্ময় ও সন্দেহ দুইই তৈরি করেছে। একসময় যাকে চীনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে দেখা হতো, সেই পাকিস্তান এখন ধীরে ধীরে ওয়াশিংটনের কৌশলগত আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করছে। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক ক্ষমতার রদবদল, সামরিক নেতৃত্বের উত্থান, অর্থনৈতিক চাপ এবং আঞ্চলিক সংঘাতের জটিল প্রভাব।

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ একটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন। তার ভাষায়, এই ধরনের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পাকিস্তানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাসুদ খান দাবি করেন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরে পাকিস্তানের অবস্থান এমন উচ্চতায় পৌঁছেছে যা তিনি তার দীর্ঘ কর্মজীবনে আগে কখনো দেখেননি।

এই বক্তব্যগুলোকে ঘিরে এক ধরনের কূটনৈতিক আত্মবিশ্বাস তৈরি হলেও বাস্তব পরিস্থিতি ছিল অনেক বেশি জটিল ও অনিশ্চিত।

একটি আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসলামাবাদ সফর করতে পারেন এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হতে পারে। একই সময়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণসংযোগ দপ্তর সাংবাদিকদের কাছে একটি বার্তা পাঠায়, যেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা হতে পারে এবং সেখানে একটি মার্কিন নিরাপত্তা দল উপস্থিত রয়েছে।

এই তথ্য দ্রুত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই ধারণা করতে থাকেন যে পাকিস্তান নতুনভাবে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় উঠে আসছে। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেই দাবিগুলো ভেঙে পড়ে। পরে স্পষ্ট হয় যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে কোনো বাস্তব বৈঠক বা সফরের পরিকল্পনা ছিল না।

এই পুরো ‘গোপন নথি’র সাংকেতিক তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় আসিম মুনির বিপদে পড়বেন।ছবিঃ সংগৃহীত

এরপর ইরানের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যেই পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র বলেন, পাকিস্তান বন্ধু দেশ হলেও তাদের নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার মতো পর্যাপ্ত আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানের অবস্থান অনেক ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অতিরিক্ত ঝুঁকে থাকে, ফলে তারা মধ্যস্থতার জন্য উপযুক্ত নয়।

এই বক্তব্য কেবল একটি কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়ে একটি বড় প্রশ্নের প্রতিফলন।

পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পেছনের বাস্তবতা

গত এক দশকে পাকিস্তানের বৈদেশিক নীতির সবচেয়ে বড় ভিত্তি ছিল চীন। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরকে কেন্দ্র করে অবকাঠামো, জ্বালানি ও বাণিজ্যে বিপুল বিনিয়োগ আসে। ইসলামাবাদ এই সম্পর্ককে “সব আবহাওয়ার বন্ধুত্ব” বলে বর্ণনা করত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সম্পর্কেও চাপ তৈরি হতে থাকে।

চীনের অর্থায়নে শুরু হওয়া বহু প্রকল্প ধীরগতিতে চলে যায়। প্রায় নব্বইটির মতো পরিকল্পিত প্রকল্পের মধ্যে একটি বড় অংশ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি বা শুরুই হয়নি। বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া, চীনা শ্রমিকদের ওপর হামলা, এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন চাপ তৈরি করে। নতুন বড় প্রকল্প অনুমোদনও কার্যত কমে যায়।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল দীর্ঘদিন ধরে অবিশ্বাস ও কৌশলগত দূরত্বে আবদ্ধ। আফগান যুদ্ধ, তালেবান ইস্যু, ওসামা বিন লাদেন অভিযান এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বহুবার উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই সম্পর্ক আবার ধীরে ধীরে পুনর্গঠনের দিকে যাচ্ছে।

বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা বিশ্বের কৌশলগত অগ্রাধিকার পরিবর্তিত হলে পাকিস্তান আবার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র চীনকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করলে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন মিত্র খোঁজার প্রয়োজন দেখা দেয়। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান নিজেদের অবস্থান পুনর্গঠনের সুযোগ পায়।

অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তন

এই পুরো পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কাঠামো। ২০২২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ক্ষমতাচ্যুতি এবং পরবর্তী রাজনৈতিক সংকট দেশটির নীতিনির্ধারণে সামরিক বাহিনীর প্রভাব আরও বাড়িয়ে দেয়।

এরপর নির্বাচন, বিচার ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নানা ধরনের চাপের অভিযোগ উঠে আসে। বিরোধী রাজনীতি দুর্বল হয়ে পড়ার ফলে নীতিগত সিদ্ধান্তে সামরিক নেতৃত্বের ভূমিকা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এই প্রেক্ষাপটে জেনারেল আসিম মুনিরের উত্থান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তার নেতৃত্বে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অগ্রাধিকার ধীরে ধীরে পুনর্বিন্যস্ত হয়। একদিকে চীনের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমানো, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন ধরনের সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করা এই নীতির অংশ হিসেবে দেখা হয়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন ধরণের সম্পর্ক

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক শুধু নিরাপত্তা বা সামরিক সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং অর্থনীতি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল মুদ্রা এবং বিরল খনিজ সম্পদ নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে সহযোগিতা, স্টেবলকয়েন ভিত্তিক রেমিট্যান্স ব্যবস্থার আলোচনা এবং বিরল খনিজ সম্পদ রপ্তানি নিয়ে সমঝোতা এই সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে এমনও বলা হয় যে, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে আর্থিকভাবে যুক্ত হয়েছে, যদিও এসব বিষয় নিয়ে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এদিকে সামরিক নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে গাজা, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটে পাকিস্তান নিজেদেরকে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করছে। তবে বাস্তবতা বলছে, এই ভূমিকা গ্রহণ সব পক্ষের কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না।

চীনের সঙ্গে সম্পর্কের শীতলতা

চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক এখনো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও আগের মতো গতিশীল নেই। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের দ্বিতীয় ধাপ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বড় বিনিয়োগ কমে গেছে এবং নতুন প্রকল্পের অনুমোদন ধীরগতির।

চীনা কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানে কর্মরত তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে চীনা বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর পাওনা অর্থ নিয়েও টানাপোড়েন চলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান একদিকে চীনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে চাইছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু এই দুই শক্তির মধ্যে ভারসাম্য রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

শেহবাজ শরিফ ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিঃ সংগৃহীত

ইরান ইস্যু এবং মধ্যস্থতার প্রশ্ন

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত বাস্তব কূটনৈতিক কাঠামোতে রূপ নিতে পারেনি। বরং এটি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বলা হয়, পাকিস্তান নিরপেক্ষ নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অতিরিক্ত ঝুঁকে থাকে। এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের অবস্থানকে আরও বিতর্কিত করে তোলে।

পাকিস্তানের বর্তমান কূটনৈতিক অবস্থান এক ধরনের রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে পুরনো মিত্র চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ধীরগতির ও জটিল হয়ে উঠছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সুযোগ তৈরি হলেও তা এখনো স্থিতিশীল নয়।

এই পুরো প্রক্রিয়ায় সামরিক নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই পরিবর্তন কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নির্ভর করছে বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য, আঞ্চলিক সংঘাত এবং পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে এক ধরনের “কৌশলগত ভারসাম্যের রাষ্ট্র” বলা যেতে পারে, যে একই সময়ে একাধিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, কিন্তু কোনো একটিকে পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না।

সূত্রঃ ড্রপসাইট নিউজ

এই শাখার আরও খবর

পশ্চিমবঙ্গে নারীদের জন্য বড় ঘোষণা, ফ্রি বাসযাত্রা ও ‘অন্নপূর্ণা’ প্রকল্পে মিলবে ৩ হাজার রুপি

মেলবোর্ন, ১৮ মে-  ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নারীদের জন্য একাধিক বড় সামাজিক সুবিধা ঘোষণা করেছে নতুন বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। ‘অন্নপূর্ণা’ প্রকল্পের আওতায় যোগ্য নারীদের প্রতি মাসে…

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াতে নতুন নিবন্ধনে ১২ মাসের স্থগিতাদেশ অস্ট্রেলিয়ায়

মেলবোর্ন, ১৮ মে: অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ (VET) প্রদানকারী নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন আগামী ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা…

অস্ট্রেলিয়ায় আবাসন কর সংস্কার নিয়ে ভোটারদের বিরোধিতা, জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে আলবানিজ সরকার

মেলবোর্ন, ১৮ মে- অস্ট্রেলিয়ার আলবানিজ সরকার নতুন বাজেটে আবাসন খাতে বড় ধরনের কর সংস্কার চালুর পর তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে…

জেফরি এপস্টিন তদন্তে ফ্রান্সে নতুন তথ্য, সামনে এল ১০ জন নারী ভুক্তভোগী

মেলবোর্ন, ১৮ মে- মার্কিন ধনকুবের ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনকে ঘিরে ফ্রান্সে চলমান মানবপাচার তদন্তে নতুন করে অন্তত ১০ জন সম্ভাব্য ভুক্তভোগী সামনে এসেছেন।…

চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ২, ধসে পড়ল ১৩ ভবন

মেলবোর্ন, ১৮ মে- দক্ষিণ চীনের গুয়াংশি অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের আঘাতে ১৩টি ভবন ধসে পড়েছে এবং বহু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা…

কেন বারবার প্রধানমন্ত্রী বদল হচ্ছে যুক্তরাজ্যে

মেলবোর্ন, ১৮ মে- যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে অস্থিরতা যেন এখন নতুন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। একের পর এক প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন, ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট এবং ভোটারদের…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au