৪৪০ কোটি রুপির তহবিল জটিলতায় তৃণমূলে তোলপাড়, ফ্রিজ তিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
মেলবোর্ন, ২১ জুন-ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবার বড় ধরনের আর্থিক ও সাংগঠনিক সংকটের মুখে পড়েছে। দলের প্রায় ৪৪০ কোটি…
মেলবোর্ন, ২১ জুন- সন্ত্রাসবাদ, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হত্যা এবং সহিংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ছয় ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে জর্ডান সরকার। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় চূড়ান্ত হওয়ায় রোববার ভোরে এই দণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।
জর্ডানের সরকারি মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-মোমানি স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, সংশ্লিষ্ট সব মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায় বহাল থাকায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসন রক্ষায় সরকার সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে দুজন ২০১৮ সালের একটি আলোচিত সন্ত্রাসবাদ মামলার আসামি ছিলেন। ওই মামলায় তারা একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন গঠন ও পরিচালনার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। তদন্তে উঠে আসে, সংগঠনটির হামলায় জর্ডানের জননিরাপত্তা বিভাগ এবং সশস্ত্র বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা ও সদস্য নিহত হয়েছিলেন।
আরেকজনকে ২০২২ সালের একটি পৃথক সন্ত্রাসবাদ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ওই ঘটনায় জর্ডানের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল। আদালত তাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেন।
এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে দুজন মাদক পাচার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলার মামলার আসামি ছিলেন। ২০১৪ ও ২০১৭ সালে পরিচালিত পৃথক নিরাপত্তা অভিযানের সময় সংঘটিত সহিংসতায় কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। তদন্ত ও বিচার শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়।
অন্যদিকে ষষ্ঠ ব্যক্তিকে ২০১৮ সালের একটি মাদকসংক্রান্ত মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। ওই মামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের সময় এক পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়। আদালতের রায়ে তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং একই দিনে তার দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
জর্ডান সরকার বলেছে, সন্ত্রাসবাদ, মাদক চোরাচালান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সহিংস হামলার মতো অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর শাস্তি কার্যকর করা প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা হুমকি ও চোরাচালান কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে জর্ডান সরকার অপরাধ দমনে আরও কঠোর বার্তা দিতে চাইছে। এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকে সেই নীতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au