কাতারের এলএনজি স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৩; বাংলাদেশিসহ আহত ৬৬
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- কাতারের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে একটি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩ জন…
মেলবোর্ন, ২৩ জুন- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ হিসেবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও কর্মসূচি পালন করছে। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নাশকতা, সহিংসতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম মহানগর, গাজীপুর মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের মূল দায়িত্ব হবে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষা প্রদান।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, দেশে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেনি, তবে কিছু এলাকায় অপতৎপরতার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এটি একটি প্রতিরোধমূলক ও নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মাঠে থাকবে।
এদিকে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরজুড়ে দুই শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ তল্লাশিচৌকি স্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে রাজধানীর সব প্রবেশপথে কড়া নজরদারি, চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ডিএমপি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো রাজধানীকে কার্যত বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হচ্ছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যানবাহন এবং বহিরাগতদের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে।
সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা আশা করছেন, সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা কিংবা নাশকতার চেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au