মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য…
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই আরও এক দফা যুদ্ধবন্দি বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) উভয় দেশই ১৬০ জন করে যুদ্ধবন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্পন্ন হওয়া এই বন্দি বিনিময়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুক্ত হওয়া ১৬০ জন রুশ সেনাসদস্যকে প্রথমে প্রতিবেশী দেশ বেলারুশে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনার ইয়ানা লানত্রাতোভা। পরবর্তীতে তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় বলেন, রাশিয়ার বন্দিদশা থেকে ইউক্রেনীয় নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ এই বিনিময়ের মাধ্যমে ১৬০ জন ইউক্রেনীয় সেনাসদস্য মুক্ত হয়েছেন। তারা সবাই ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর বিভিন্ন সময়ে রুশ বাহিনীর হাতে বন্দি হয়েছিলেন।
পরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি জানান, ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দিকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে শুধু চলতি বছরেই মুক্তি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৬ জন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলেও দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দি বিনিময় মানবিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। কূটনৈতিক আলোচনায় অচলাবস্থা থাকলেও এই ধরনের বিনিময় উভয় পক্ষের মধ্যে সীমিত হলেও যোগাযোগ বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au