তাবিজের কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
মেলবোর্ন, ১৮ জুলাই- পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় তাবিজ দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫) নামে এক জামায়াত…
মেলবোর্ন, ১৮ জুলাই- যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার এক নারী সিনেটে আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত অ্যাটর্নি জেনারেল প্রার্থী টড ব্ল্যাঞ্চের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, বিচার বিভাগের দায়িত্বে থেকে টড ব্ল্যাঞ্চ এপস্টেইনের ভুক্তভোগীদের যথাযথ সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নথি প্রকাশের সময় একাধিক অবহেলার মাধ্যমে তাদের নতুন করে মানসিক যন্ত্রণার মুখে ঠেলে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির শুনানিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার ড্যানি বেনস্কি অন্যান্য ভুক্তভোগীদের নিজেদের শৈশবের ছবি হাতে নিয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এরপর সিনেট সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার আগে যেন তারা ছবির ছোট্ট মেয়েদের কথা স্মরণ করেন, কারণ নির্যাতনের সময় তারা সবাই শিশু ছিলেন।
আবেগঘন বক্তব্যে ড্যানি বেনস্কি বলেন, আজ সবাই তাদের প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখলেও যখন তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তখন তারা ছিল অসহায় শিশু। সেই সময়ই তাদের শৈশব, স্বপ্ন এবং স্বাভাবিক জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে একজন শিক্ষক ও মা হিসেবে জীবনযাপন করা ড্যানি বেনস্কি অভিযোগ করেন, টড ব্ল্যাঞ্চের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের সময় ভুক্তভোগীদের নগ্ন ছবি, পরিচয় এবং সংবেদনশীল তথ্য যথাযথভাবে গোপন রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে অনেক ভুক্তভোগী আবারও নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক আঘাতের শিকার হন।
তিনি আরও জানান, তার নিজের নাম, ফোন নম্বর এবং আগের বাসার ঠিকানাও একাধিকবার প্রকাশিত নথিতে উঠে এসেছে। তার আইনজীবী বারবার বিচার বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব তথ্য গোপন রাখার অনুরোধ জানালেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তৃতীয় দফার নথি প্রকাশেও তার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ পাওয়ায় তিনি এটিকে আর নিছক ভুল বলে মনে করেন না।
অন্যদিকে শুনানিতে টড ব্ল্যাঞ্চ বিচার বিভাগের কর্মকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়ে এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তবে ড্যানি বেনস্কির অভিযোগ ও আবেগঘন বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ভুক্তভোগীদের গোপনীয়তা রক্ষা এবং বিচার বিভাগের জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au