মন্দিরে নেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩
মেলবোর্ন, ২১ জুলাই: ভারতের কর্নাটকের দেবনাহাল্লিতে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর জোরপূর্বক মদ খাইয়ে এক নির্মাণাধীন ভবনে সারা রাত সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা…
মেলবোর্ন, ২১ জুলাই- ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর ছেড়ে যাওয়ার সময় একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চার ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন ভারতীয় নাবিক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে এই হামলা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ভারতের গণমাধ্যম বরাতে জানা গেছে, বুধবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ওডেসা বন্দর ত্যাগের সময় ‘এমভি গোল্ডেন লিও’ নামের জাহাজটি হামলার শিকার হয়। গিনি-বিসাউয়ের পতাকাবাহী ভুট্টাবোঝাই জাহাজটিতে ভারতীয় ও সিরীয় নাগরিকসহ মোট ১৭ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন ভারতীয়। জাহাজটির মালিকানা মুম্বাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওশান গ্রেস শিপিং লিমিটেডের।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, নিরীহ নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলা এবং আন্তর্জাতিক নৌচলাচল ও বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। একই সঙ্গে ইউক্রেনে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস নিহত ও আহতদের বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।
ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর দাবি, রুশ বাহিনী জাহাজটিকে লক্ষ্য করে তিনটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে জাহাজটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। রাতভর পরিচালিত উদ্ধার অভিযানে আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও জাহাজটির নয়জন ক্রু সদস্য এবং একজন মেরিন পাইলট নিহত হন।
ওডেসা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কৃষ্ণসাগরে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত হামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রাণঘাতী ঘটনা। চলতি মাসে ওডেসা অঞ্চলে রুশ হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রুশ হামলায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় সংঘাত দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌপরিবহনও ক্রমেই বড় ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au