শরীর ম্যাসাজের কথা বলে রুমে ডেকে বলাৎকার, পালিয়ে বেরাচ্ছেন মাদ্রাসা শিক্ষক
রংপুরের কাউনিয়ায় একটি মাদ্রাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে শরীর ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক…
মেলবোর্ন, ২৪ জুলাই: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ এলাকায় সামিরুল শাহ (৬০) নামে এক চা বিক্রেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশের একটি মাঠে বাঁশের তৈরি মাচার ওপর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহত সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। তিনি পেশায় চা বিক্রেতা ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন আগে পাশের মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলা থেকে এসে এ এলাকায় বসবাস শুরু করে।
নিহতের বড় ছেলে সাঈদের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি, তার বাবা এবং দুই মামা বড়গাংদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শেষে ফিরছিলেন। এ সময় তারাগুনিয়া থানা মোড়ে একই এলাকার মুন্টু (৫০) মোবাইল ফোনে তার বাবাকে দেখা করার জন্য ডাকেন। কিছুক্ষণ পর আবার ফোন এলে সামিরুল পরিবারের সদস্যদের বাড়ি চলে যেতে বলে মুন্টুর সঙ্গে চলে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরিবারের অভিযোগ, সন্ধ্যা ও রাতে একাধিকবার মুন্টুর কাছে সামিরুলের খোঁজ জানতে চাওয়া হলেও তিনি সন্তোষজনক কোনো তথ্য দেননি। পরে শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে তারা জানতে পারেন, ধর্মদহ এলাকায় রাস্তার পাশের একটি বাঁশের মাচায় সামিরুল শাহের মরদেহ পড়ে রয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেসব তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au