১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা নাসরিন
মেলবোর্ন, ২৭ জুলাই: প্রায় ১৯ বছর পর আগামী ১ আগস্ট কলকাতায় ফিরছেন নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে আবারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা,…
মেলবোর্ন, ২৬ জুলাই: দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)কে আরও কার্যকর ও গতিশীল করে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মালে সফরকালে অনুষ্ঠিত সৌজন্য সাক্ষাতে দুই নেতা সার্ককে সক্রিয় করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে একমত হন।
রোববার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার বিকেলে মালেতে পৌঁছালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম। পরে তিনি প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে গিয়ে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন দেওয়ায় মালদ্বীপের প্রতি ধন্যবাদ জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পারস্পরিক সম্মান, অভিন্ন স্বার্থ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি, পর্যটন ও আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু এবং সার্ককে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও মতবিনিময় করেন।
মালদ্বীপে কর্মরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীদের অবদানেরও প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। তিনি বলেন, মালদ্বীপের অর্থনীতি ও উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
সাক্ষাতে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইহুসান এবং মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মানে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু একটি উচ্চপর্যায়ের চা-চক্রের আয়োজন করেন। এতে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহামেদ লতিফ, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সন্ধ্যায় খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম আয়োজিত কূটনৈতিক সংবর্ধনায় যোগ দেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং মালদ্বীপ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au