একদিনে মা-মেয়েসহ সড়কে ঝরল চার প্রাণ, আহত ৩০
দেশের তিন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-মেয়েসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় এসব…
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশের একটি তল্লাশি চৌকিতে বোমা হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রদেশটির ডেরা ইসমাইল খান জেলার দারাজিন্দার কাছে আমান মেলা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
পুলিশ ও উদ্ধারকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১১ জনের মধ্যে আটজন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। আহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য, শুল্ক বিভাগের কর্মী এবং দুজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ডেরা ইসমাইল খান জেলার মোগল কোট ও দারাজিন্দার কাছাকাছি ডেরা ইসমাইল খান-কোয়েটা সড়কের আমান মেলা চেকপোস্টে হামলাটি চালানো হয়। ঘটনাস্থলটি খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
হামলার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলেন। বিস্ফোরণের ধরন এবং হামলায় কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, তা নির্ধারণে ঘটনাস্থলে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উদ্ধারকারী সংস্থা রেসকিউ ১১২২ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করা হয়। সংস্থাটির কর্মীরা আহত ২০ জনকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে আহতদের মধ্যে ১৮ জনকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
হামলার পর ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। চেকপোস্ট ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতার কারণে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী ও টিটিপিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।
শনিবারের হামলার দায় টিটিপি স্বীকার করলেও হামলার পদ্ধতি, বিস্ফোরকের ধরন এবং হামলায় কতজন হামলাকারী অংশ নিয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে নিহত ও আহতদের পরিচয় এবং হামলার পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে রেসকিউ ১১২২।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au